বিজ্ঞাপন
ঘটনার বিষয়ে ডা. মিতু জানান, বুধবার রাত প্রায় ১১টার দিকে অবরুদ্ধ ওই নেতার মেয়ের কাছ থেকে ফোন পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে যান। সেখানে গিয়ে হামলা ও বাধার মুখে পড়লেও শেষ পর্যন্ত অবরুদ্ধ নেতাকে উদ্ধার করা সম্ভব হয় বলে দাবি করেন তিনি।
ডা. মিতুর অভিযোগ, উপজেলার বিভিন্ন স্থানে জামায়াত নেতাকর্মীদের অবরুদ্ধ করা, তল্লাশি চালানো ও মারধরের ঘটনা ঘটছে। এ ঘটনায় তিনি বিএনপির নেতাকর্মীদের দায়ী করেন। ঘটনার পর নিজের ফেসবুক স্ট্যাটাসে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।
ডা. মিতু আরও দাবি করেন, অবরুদ্ধ ওই নেতাকে মারধর করা হয়েছে এবং তার কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়েছে। উদ্ধার হওয়া ব্যক্তির বয়স প্রায় ৫৮ বছর এবং তিনি কাঁঠালিয়া উপজেলার ৪ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের অর্থ সম্পাদক বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে বিএনপির পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...