বিজ্ঞাপন
নির্বাচন কমিশনের (ইসি) বর্তমান পরিপত্র অনুযায়ী, কোনো প্রার্থীকে জামানত রক্ষা করতে হলে সংশ্লিষ্ট নির্বাচনি এলাকায় প্রদত্ত মোট ভোটের অন্তত আট ভাগের এক ভাগ (১২.৫%) ভোট পেতে হয়। এই পরিমাণ ভোট পেতে ব্যর্থ হলে প্রার্থী কর্তৃক জামানত বাবদ জমা দেওয়া ৫০ হাজার টাকা সরকারি কোষাগারে বাজেয়াপ্ত হয়ে যায়।
সিলেট-১ আসনের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, এই আসনে মোট ভোট পড়েছে ৩ লাখ ২৫ হাজার ৫৩৯টি। নিয়ম অনুযায়ী এই আসনে জামানত রক্ষার জন্য একজন প্রার্থীকে অন্তত ৪০ হাজার ৬৯২টি ভোট পেতে হতো। তবে বিজয়ী ও প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বাদে অন্য ৬ জনই এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ব্যর্থ হয়েছেন।
সিলেট-১ আসনে জামানত হারানো প্রার্থীরা হলেন—গণঅধিকার পরিষদের আকমল হোসেন (৩১৪ ভোট), বাসদের প্রণব জ্যোতি পাল (১১৩৪ ভোট), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মাহমুদুল হাসান (২৭০১ ভোট), বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির মোহাম্মদ আনোয়ার হোসাইন (৯০৮ ভোট), ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের মো. শামীম মিয়া (২৩৯ ভোট) এবং বাসদ-মার্কসবাদীর সঞ্জয় কান্তি দাস (৮০১ ভোট)।
নির্বাচন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মূলত প্রধান দলগুলোর বাইরে থাকা প্রার্থীরা জনসম্পৃক্ততার অভাবে প্রয়োজনীয় ভোট সংগ্রহ করতে পারেননি। এর ফলে সিলেটের অন্যান্য আসনের আরও ১৪ জন প্রার্থীও একই ভাগ্য বরণ করেছেন, যা আগামী দিনের রাজনৈতিক সমীকরণে ছোট দলগুলোর অস্তিত্বের সংকটের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...