বিজ্ঞাপন
সংসদ ভবন সূত্র জানায়, ভবনের অভ্যন্তরে ধোয়া-মোছার কাজ শেষ করে সবকিছু পরিচ্ছন্ন করা হয়েছে। সদস্যদের জন্য বরাদ্দকৃত কক্ষগুলো নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে। গণ-অভ্যুত্থানের সময় ভবনের যেসব অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল, সেগুলো দ্রুত সংস্কার করা হচ্ছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও সংসদ সচিবালয় শনিবার থেকেই এই শপথ অনুষ্ঠানের বিশাল কর্মযজ্ঞ শুরু করেছে।
জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব কানিজ মওলা গণমাধ্যমকে জানান, মঙ্গলবার সকাল ১০টায় দক্ষিণ প্লাজায় সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠিত হবে। এরপর একই স্থানে বিকেল ৪টায় নতুন সরকারের মন্ত্রিসভা শপথ গ্রহণ করবে। বঙ্গভবনের নির্দেশনা অনুযায়ী সংসদ সচিবালয় এই প্রস্তুতির কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন এখনো পুরোপুরি প্রস্তুত না হওয়ায় তিনি এখনই সেখানে উঠতে পারছেন না। এদিকে, শপথের প্রস্তুতির মধ্যেই রবিবার সন্ধ্যায় মন্ত্রিপরিষদ সচিব আব্দুর রশীদকে তার পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
সংবিধান অনুযায়ী, নির্বাচনের গেজেট প্রকাশের তিন দিনের মধ্যে শপথ নেওয়ার বিধান রয়েছে। গত শুক্রবার রাতে নির্বাচন কমিশন ২৯৯টি আসনের মধ্যে ২৯৭টির ফলাফল গেজেট আকারে প্রকাশ করে।
উল্লেখ্য, এই নির্বাচনে বিএনপি ২০৯টি আসন পেয়ে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে। অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যজোট ৭৭টি আসন পেয়ে বিরোধী দলের মর্যাদা পেতে যাচ্ছে।
বিপুল বিজয়ের পর নতুন সরকারের এই শপথ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে সংসদ এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে এবং উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...