বিজ্ঞাপন
রাত ১২টা ৪৫ মিনিটের দিকে ইমনদ্দোজার ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে লাইভে এসে তার এক সহযোগী দাবি করেন, পূর্বপরিকল্পিতভাবে স্ট্যাম্প ও বাঁশ দিয়ে অতর্কিত হামলা চালানো হয়। এতে ইমনদ্দোজার বাম হাত ভেঙে যায় এবং মাথা ও পিঠে গুরুতর আঘাত লাগে বলে জানানো হয়। লাইভে তার শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক বলেও উল্লেখ করা হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই লাইভ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সুনামগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রতন শেখ জানান, হামলার খবর পেয়ে রাতেই পুলিশ ঘটনাস্থল ও হাসপাতালে পৌঁছায়। প্রাথমিক তদন্তে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দুই পক্ষের অভ্যন্তরীণ বিরোধের জেরেই এ হামলা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এক পক্ষের কয়েকজন ব্যক্তি সংঘবদ্ধভাবে হামলা চালায় বলে তথ্য পেয়েছে পুলিশ।
তিনি আরও জানান, ইমনদ্দোজা আহমেদ রাতেই থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন এবং অভিযোগে কয়েকজনের নাম উল্লেখ করেছেন। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানায় পুলিশ।
এ বিষয়ে এনসিপি জেলা কমিটির প্রধান সমন্বয়কারী দেওয়ান সাজাউর রাজা চৌধুরী সুমন বলেন, ঘটনাটি বন্ধুদের মধ্যকার ব্যক্তিগত ও অভ্যন্তরীণ বিরোধের ফল। এর সঙ্গে কোনো রাজনৈতিক বা নির্বাচনকেন্দ্রিক সংশ্লিষ্টতা নেই। তার দাবি, হামলায় জড়িতদের মধ্যে কেউ কেউ ছাত্রদল ও ছাত্রলীগের সঙ্গে যুক্ত থাকলেও ঘটনাটি মূলত ব্যক্তিগত বিরোধ থেকেই ঘটেছে।
প্রকাশ্য সড়কে এমন হামলার ঘটনায় সুনামগঞ্জে রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে তীব্র উদ্বেগ ও ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। সচেতন নাগরিকরা দ্রুত হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও জননিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...