বিজ্ঞাপন
জেলার বিভিন্ন উপজেলা ও আশপাশের এলাকা থেকে প্রতিদিন বিপুল সংখ্যক মানুষ এই হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসেন। তবে প্রয়োজনীয় জনবল না থাকায় সেবাপ্রত্যাশীদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, টিকিট সংগ্রহ থেকে শুরু করে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সাক্ষাৎ পেতে একজন রোগীকে গড়ে ৪ থেকে ৫ ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে।
দীর্ঘ সময় অপেক্ষার ফলে অনেক গুরুতর অসুস্থ রোগীর শারীরিক অবস্থা আরও অবনতি হচ্ছে। বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক, গর্ভবতী নারী এবং জরুরি বিভাগে আসা রোগীরা এই অব্যবস্থাপনায় সবচেয়ে বেশি ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। বহির্বিভাগে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা রোগীরা জানান, চিকিৎসক ও নার্সের সংখ্যা চাহিদার তুলনায় নগণ্য হওয়ায় পুরো সেবা কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে।
সেবা নিতে আসা এক রোগীর স্বজন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "সকাল থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে আছি। টিকিট পেতেই অর্ধেক দিন চলে যায়, এরপর ডাক্তার দেখাতে আরও অপেক্ষা। একজন অসুস্থ মানুষ এভাবে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকলে আরও বেশি অসুস্থ হয়ে পড়বে।"
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, সরকারি এই বৃহৎ প্রতিষ্ঠানটি জনবল সংকটের কারণে জেলাবাসীকে কাঙ্ক্ষিত সেবা দিতে ব্যর্থ হচ্ছে। অনেক রোগী নিরুপায় হয়ে সরকারি হাসপাতালের সেবা ছেড়ে বেসরকারি ক্লিনিক বা হাসপাতালে যেতে বাধ্য হচ্ছেন, যা সাধারণ মানুষের ওপর আর্থিক চাপ সৃষ্টি করছে।
হাসপাতালটির চিকিৎসা ব্যবস্থা স্বাভাবিক করতে দ্রুত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও নার্স নিয়োগসহ প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা উন্নত করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। অন্যথায় সাধারণ মানুষের ন্যূনতম স্বাস্থ্যসেবা প্রাপ্তি আরও অনিশ্চিত হয়ে পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...