বিজ্ঞাপন
ওই বক্তব্যে তিনি দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের ভোটারদের উদ্দেশ্যে অত্যন্ত কুরুচিপূর্ণ শব্দ ব্যবহার করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে জেলা জামায়াতে ইসলামী।
গত ১৩ ফেব্রুয়ারি (শুক্রবার) সন্ধ্যায় উপজেলার উত্তমপুর বাজারে এক সভায় বক্তব্যকালে রফিকুল ইসলাম জামাল জামায়াতে ইসলামীর ভোটারদের 'জারজ সন্তান' আখ্যা দিয়ে তাদের চিহ্নিত করার আহ্বান জানান বলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জেলা জামায়াতের প্রচার বিভাগের দায়িত্বে থাকা নাজমুল হাসান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই প্রতিবাদ জানানো হয়, যা নিশ্চিত করেছেন জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি অধ্যক্ষ ফরিদুল হক।
বিবৃতিতে জেলা জামায়াতের আমির অ্যাডভোকেট হাফিজুর রহমান ও সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মো. ফরিদুল হক বলেন, সংবিধান প্রতিটি নাগরিককে স্বাধীনভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগের নিশ্চয়তা দিয়েছে। পছন্দের দলকে ভোট দেওয়ার কারণে কাউকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করা বা তার বংশপরিচয় নিয়ে প্রশ্ন তোলা চরম ধৃষ্টতা এবং গণতান্ত্রিক অধিকারের পরিপন্থী।
তারা অভিযোগ করেন, ওই আসনের বিভিন্ন এলাকায় ভোটাররা শারীরিক ও মৌখিক হামলার শিকার হয়ে ঘরবাড়ি ছাড়তে বাধ্য হচ্ছেন, যা ফ্যাসিবাদের নতুন সংস্করণ।
জামায়াত নেতৃবৃন্দ আরও উল্লেখ করেন, একজন সংসদ সদস্যের ভাষা হওয়া উচিত সংযত এবং শিক্ষণীয়। রাজনীতিতে মতাদর্শের পার্থক্য থাকলেও অশালীন ভাষা ব্যবহার করা রাজনৈতিক দেউলিয়াত্বের বহিঃপ্রকাশ। এই ধরণের বক্তব্য সমাজে ঘৃণা এবং বিভাজন তৈরি করে। তারা অবিলম্বে এই দায়িত্বজ্ঞানহীন বক্তব্য প্রত্যাহার করে সংসদ সদস্যকে জনগণের কাছে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানান।
তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম জামাল। এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি দাবি করেন, ভাইরাল হওয়া ওই বক্তব্যটি তার নয়। এটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহার করে তৈরি করা হতে পারে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...