ছবিটি এআই দ্বারা নির্মিত।
বিজ্ঞাপন
গতকাল মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি ওয়াশিংটনের এই কূটনৈতিক অবস্থানের কথা জানান।
সাক্ষাৎকারে রুবিও বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এমন একজন নেতা যিনি মানুষের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এবং কথা বলে সমস্যার সমাধান করতে আগ্রহী। তিনি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে জানান, আগামীকাল যদি খামেনি আলোচনার প্রস্তাব দেন, তবে ট্রাম্প তাতে কোনো দ্বিধা ছাড়াই সাড়া দেবেন।
রুবিও স্পষ্ট করেন যে, সাক্ষাৎ করার অর্থ এই নয় যে ট্রাম্প ইরানের সব নীতির সঙ্গে একমত, বরং তিনি মনে করেন বিশ্বশান্তি রক্ষায় আলোচনার কোনো বিকল্প নেই।
তবে কূটনৈতিক আলোচনার আগ্রহ থাকলেও ইরানের পরমাণু প্রকল্পের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান অপরিবর্তিত রয়েছে।
মার্কো রুবিও কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ইরানকে কখনোই পরমাণু শক্তিধর হওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে না। ইরানের হাতে পরমাণু অস্ত্র এলে তা মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বশান্তির জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়াবে। এই প্রধান ইস্যুটির বাইরে অন্যান্য দ্বিপাক্ষিক সমস্যাগুলো কূটনৈতিক পথে সমাধানে যুক্তরাষ্ট্র আগ্রহী।
উল্লেখ্য, ইরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে দীর্ঘ দুই দশকের টানাপড়েন ২০২৫ সালের জুনে ইরান-ইসরায়েল সংঘাতের সময় চরমে পৌঁছায়। ওই সময় মার্কিন সেনাবাহিনী তেহরানের বিরুদ্ধে 'অপারেশন মিডনাইট হ্যামার' পরিচালনা করেছিল। এরপর যুদ্ধবিরতি চললেও কূটনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিক হয়নি। গত ডিসেম্বরে ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমনে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ায় ট্রাম্প সামরিক অভিযানের হুমকি দিলেও পরিস্থিতি বর্তমানে শান্ত রয়েছে।
বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাপক সামরিক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ওমানের মাস্কাটে দুই দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে সংলাপ চললেও আরব সাগর ও পারস্য উপসাগরীয় এলাকায় ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কনসহ ৫টি বিমানবাহী যুদ্ধজাহাজ টহল দিচ্ছে।
এ বিষয়ে রুবিও জানান, অতীতে মার্কিন স্বার্থে ইরানের আঘাত হানার অভিজ্ঞতার কারণেই নিরাপত্তার স্বার্থে সেখানে সেনাসংখ্যা ও রণতরী বৃদ্ধি করা হয়েছে।
তথ্য সূত্র: ব্লুমবার্গ/এএফপি।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...