ফাইল ছবি।
বিজ্ঞাপন
এই গুরুতর পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাতে পাকিস্তান সরকার ইমরান খানকে কারাগার থেকে হাসপাতালে স্থানান্তরের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
পাক সংবাদমাধ্যম এক্সপ্রেস ট্রিবিউন জানিয়েছে, পিটিআই নেতা-কর্মীদের তীব্র বিক্ষোভ এবং সুপ্রিম কোর্টের উদ্বেগের মুখে সরকার এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়। হাসপাতালে স্থানান্তরের পর একটি উচ্চপর্যায়ের মেডিকেল বোর্ডের মাধ্যমে তার বিশদ স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হবে।
পাকিস্তানের সংসদবিষয়ক মন্ত্রী তারিক ফজল চৌধুরী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এই সিদ্ধান্তের কথা নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, ইমরান খানকে বর্তমানে তার সন্তানদের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া মানবিক ও আইনি দায়বদ্ধতা থেকে তার স্বাস্থ্যের বিষয়টি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করে উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
ইমরান খানের যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত করার দাবিতে তেহরিক-ই-তাহফুজ-আইন-ই-পাকিস্তানের সদস্যরা গত কয়েকদিন ধরে পাক পার্লামেন্টের বাইরে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন। এছাড়া পিটিআই চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার গোহর আলী খান, বিরোধীদলীয় নেতা আল্লামা রাজা নাসির আব্বাস ও মাহমুদ খান গত শুক্রবার জুমার নামাজের পর থেকে অবস্থান ধর্মঘট শুরু করেন। খাইবার পাখতুনখাওয়ার মুখ্যমন্ত্রীও কে-পি হাউজে এই আন্দোলন অব্যাহত রেখেছেন।
পিটিআই নেতাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে ইমরান খান চোখে ঘোলা দেখার অভিযোগ করলেও কারা কর্তৃপক্ষ তা আমলে নেয়নি। সঠিক সময়ে চিকিৎসা না হওয়ায় তার দৃষ্টিশক্তির এই অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে। বর্তমানে তাকে কোন হাসপাতালে নেওয়া হবে এবং সেখানে তার ব্যক্তিগত চিকিৎসকদের থাকার অনুমতি দেওয়া হবে কি না, তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা চলছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...