বিজ্ঞাপন
অ্যাডভোকেট রঞ্জুয়ারা শিপু কেবল আইনপেশায় নয়, বরং বরগুনার রাজনৈতিক ও রাজপথের লড়াইয়ে এক সুপরিচিত নাম। বিগত আওয়ামী সরকারের আমলে একাধিক মামলা-হামলা ও পুলিশি নির্যাতনের শিকার হওয়া এই নেত্রী বিএনপির প্রতিটি আন্দোলনে সম্মুখসারির যোদ্ধা হিসেবে পরিচিত। রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, তৃণমূল সম্পৃক্ততা এবং দীর্ঘদিনের আইনি অভিজ্ঞতার কারণে সাধারণ নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে তাকে নিয়ে ব্যাপক উৎসাহ দেখা যাচ্ছে।
বর্তমানে রঞ্জুয়ারা শিপু জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর পাশাপাশি তিনি জেলা আইনজীবী সমিতির মহিলা বিষয়ক সম্পাদক এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) হিসেবে নিয়োজিত রয়েছেন। দীর্ঘ ২৪ বছরের আইনপেশায় তিনি ব্র্যাক, জাগোনারী ও জেলা লিগ্যাল এইডের প্যানেল আইনজীবী হিসেবে প্রান্তিক নারীদের আইনি সহায়তা দিয়ে আসছেন। সমাজসেবায় অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি ‘অদম্য নারী পুরস্কার-২০২৫’-এ জেলায় প্রথম স্থান অধিকার করেন।
তার রাজনৈতিক জীবন বিশ্লেষণে দেখা যায়, ১৯৯৪ সালে বিএম কলেজ ছাত্রদল থেকে শুরু করে জেলা বিএনপির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে তিনি সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি বরগুনা জেলা বিএনপির মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ও জেলা কমিটির সদস্য হিসেবেও কাজ করেছেন। এ ছাড়াও রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি, নারী অধিকার জোট এবং ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের মতো অসংখ্য সামাজিক ও আন্তর্জাতিক সংগঠনের সাথে তিনি সক্রিয়ভাবে যুক্ত।
বরগুনার রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, রঞ্জুয়ারা শিপুর মতো ত্যাগী ও অভিজ্ঞ নেতৃত্ব সংরক্ষিত আসনে মনোনয়ন পেলে তা জেলার নারী সমাজের ক্ষমতায়ন ও উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখবে। রাজপথের লড়াইয়ে তার অবদান এবং পেশাগত দক্ষতা তাকে অন্য প্রার্থীদের তুলনায় অনেকটা এগিয়ে রেখেছে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্ভর করছে দলীয় হাইকমান্ড ও জনমতের ওপর।
মনোনয়ন প্রসঙ্গে অ্যাডভোকেট রঞ্জুয়ারা শিপু বলেন, “দেশনায়ক তারেক রহমান যদি আমাকে যোগ্য মনে করে দায়িত্ব প্রদান করেন, তবে আমি আমার জীবনের সর্বোচ্চ দিয়ে অবহেলিত বরগুনাবাসীর কল্যাণে কাজ করব। অতীতের মতো ভবিষ্যতেও দল ও দেশের প্রয়োজনে জানপ্রাণ দিয়ে সেবায় নিয়োজিত থাকব ইনশাআল্লাহ।”
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...