বিজ্ঞাপন
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার ভোর ৬টার দিকে মুকসুদপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রিয়াজ আহম্মেদ রাজ এবং সাধারণ সম্পাদক তরিকুল ইসলাম কয়েকজন নেতাকর্মী ও সমর্থক নিয়ে কার্যালয়ের সামনে উপস্থিত হন। সেখানে তারা জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করেন। এ সময় তারা ‘জয় বাংলা’, ‘জয় বঙ্গবন্ধু’ এবং ‘শেখ হাসিনা আসবে, বাংলাদেশ হাসবে’ সম্বলিত বিভিন্ন স্লোগান দেন।
পতাকা উত্তোলনের ছবিগুলো ছাত্রলীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে পোস্ট করার পর তা মুহূর্তেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এর পরেই পুরো উপজেলায় বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে জানাজানি হয়।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে মুকসুদপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রিয়াজ আহম্মেদ রাজের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।
অন্যদিকে, মুকসুদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, সকালে পতাকা উত্তোলনের বিষয়টি তারা শুনেছেন। কারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত, তা চিহ্নিত করার চেষ্টা করছে পুলিশ।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকেই মুকসুদপুর উপজেলা আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা গ্রেপ্তার আতঙ্কে আত্মগোপনে চলে যান। এরই মধ্যে দলটির কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়। দীর্ঘ ১৯ মাস ধরে উপজেলা কার্যালয়টি তালাবদ্ধ ছিল এবং কোনো প্রকাশ্য রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড লক্ষ্য করা যায়নি। এমন পরিস্থিতিতে দীর্ঘ সময় পর পতাকা ওড়ানোর এই ঘটনাকে ঘিরে স্থানীয় প্রশাসনের মধ্যে বাড়তি সতর্কতা দেখা দিয়েছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...