বিজ্ঞাপন
রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টায় তিনি জেলা শহরের বড়বাজারের ফলপট্টি, কাঁচা বাজার, চালের আড়ত ও মাছ বাজারসহ বিভিন্ন পয়েন্ট পরিদর্শন করেন।
বাজার পরিদর্শনকালে সংসদ সদস্যের সাথে ছিলেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইশতিয়াক, নিরাপদ খাদ্য অফিসার মুন্নী খাতুন, কৃষি বিপণন কর্মকর্তা মো. আরিফ হোসেন এবং ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক সৈয়দা তামান্না তাছলিম। এ সময় সদর থানার ওসি মো. আনিচুর রহমানসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ডা. কে এম বাবর বলেন, “আমরা অত্যন্ত সতর্ক অবস্থানে রয়েছি। এই সরকারের আমলে গোপালগঞ্জে কোনো সিন্ডিকেটের মাধ্যমে অসাধু ব্যবসায়ীদের অতিরিক্ত মুনাফা করতে দেওয়া হবে না। সরকার ও স্থানীয় প্রশাসন এ বিষয়ে যথেষ্ট সচেতন।” তিনি আরও উল্লেখ করেন, সারা দেশে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কঠোর নির্দেশনা রয়েছে যেন দ্রব্যমূল্য সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে থাকে।
সাংসদ কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, রমজান মাসে সিন্ডিকেট করে কেউ সুবিধা করতে পারবে না। অসাধু মুনাফাখোরদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়মিত বাজার মনিটরিং করার পাশাপাশি দ্রব্যমূল্য সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে রাখতে প্রয়োজনীয় সকল নির্দেশনা প্রদান করেন।
উল্লেখ্য, রমজানের শুরু থেকেই লেবু, বেগুন, শসা, খেজুর ও মাংসসহ বিভিন্ন নিত্যপণ্যের দাম আকস্মিকভাবে বৃদ্ধি পায়। এ খবর পাওয়ার পরপরই সংসদ সদস্য নিজে বাজারে নেমে সাধারণ ক্রেতাদের সাথে কথা বলেন এবং মূল্যের ভারসাম্য বজায় রাখতে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...