মার্কিন এফ-২২ স্টিলথ ফাইটার জেট।
বিজ্ঞাপন
মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক শক্তি বৃদ্ধির অংশ হিসেবে আজ বিকেলে দক্ষিণ ইসরায়েলের একটি বিমান ঘাঁটিতে এই অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমানগুলো এসে পৌঁছায়।
কান-এর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এই ফাইটার জেট মোতায়েন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা কৌশলের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ, যা সরাসরি ইরানের হুমকি মোকাবিলায় ডিজাইন করা হয়েছে।
এফ-২২ র্যাপটরকে বিশ্বের অন্যতম উন্নত এবং শক্তিশালী যুদ্ধবিমান হিসেবে বিবেচনা করা হয়, যা বর্তমানে কেবল মার্কিন বিমানবাহিনীর বহরেই রয়েছে। এই যুদ্ধবিমানগুলো শত্রুপক্ষের আকাশসীমায় অত্যন্ত গোপনে প্রবেশ করতে সক্ষম। এর উন্নত রাডার ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অকেজো করে দেওয়ার ক্ষমতা এবং রাডারে ধরা না পড়ে নিখুঁত হামলা চালানোর সক্ষমতা একে অনন্য করে তুলেছে।
চলমান পারমাণবিক আলোচনা ব্যর্থ হলে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক হুমকির পরই পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি লক্ষ্যণীয়ভাবে বাড়ানো হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসন শুরু থেকেই তেহরানের ওপর ‘ম্যাক্সিমাম প্রেশার’ বা কঠোর চাপ সৃষ্টির নীতি বজায় রেখেছে।
সামরিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই মোতায়েনের মাধ্যমে ওয়াশিংটন সরাসরি ইরানকে একটি কড়া বার্তা প্রদান করল। বিশেষ করে ইসরায়েলের মতো ঘনিষ্ঠ মিত্রের মাটিতে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী ফাইটার জেটের উপস্থিতি এই অঞ্চলের সামরিক ভারসাম্যে বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
সর্বশেষ
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...