ইরান সমর্থিত ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা।
বিজ্ঞাপন
শুক্রবার (২৪ জুলাই) সৌদি আরব ইয়েমেনের হুদায়দাহ শহরের সামরিক ঘাঁটি এবং কামারান দ্বীপে বিমান হামলা চালায়। এর আগে হুথি বিদ্রোহীরা সৌদি আরবের জ্বালানিবাহী জাহাজে হামলা এবং দেশটির বিরুদ্ধে নৌ অবরোধের ঘোষণা দিয়েছিল। এরই জবাবে সৌদি বাহিনী ওই সামরিক অভিযান পরিচালনা করে।
সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের মুখপাত্র তুর্কি আল-মালিকি বলেন, বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য হুমকি সৃষ্টি করছিল এমন হুথি সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে তারা চূড়ান্ত ও জোরালো জবাব দিয়েছে। তিনি দাবি করেন, নির্ধারিত সামরিক অভিযান ইতোমধ্যে শেষ করা হয়েছে।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ওয়াশিংটনের সঙ্গে আলোচনায় তেহরান ক্রমেই আরও গুরুতর ও আন্তরিক অবস্থান গ্রহণ করায় তিনি আপাতত ইরানের বিরুদ্ধে বড় ধরনের কোনো সামরিক হামলার সিদ্ধান্ত নেননি। একই সঙ্গে ট্রাম্প বলেন, তার বিশ্বাস অনুযায়ী চীন ও রাশিয়া ইরানকে অস্ত্র কিংবা গোয়েন্দা তথ্য দিয়ে সহায়তা করছে না।
এদিকে, সংঘাতের বিস্তৃতি বাড়তে থাকায় মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত মার্কিন দূতাবাসগুলো নিজ নিজ দেশের নাগরিকদের সতর্ক থাকার পাশাপাশি প্রয়োজন হলে এলাকা ত্যাগের পরামর্শ দিয়েছে।
অপরদিকে, ওমান উপসাগরে মার্কিন অবরোধ অমান্য করার অভিযোগে একটি মার্চেন্ট জাহাজে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)। একই সময়ে ইরানি বাহিনী এবং তাদের মিত্ররা দাবি করেছে, তারা ইরাকের এরবিল, কুয়েতের উদাইরি এবং বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে।
সূত্র: আল জাজিরা।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...