বিজ্ঞাপন
গতকাল মঙ্গলবার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান ইউক্রেনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়েভহেনি খেমারা।
তিনি জানান, ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে ইউক্রেনের একটি চুক্তি রয়েছে। ওই চুক্তির আওতায় ইউক্রেনকে ঋণ দিচ্ছে ইইউ। তবে ঋণের বিনিময়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ক্ষেপণাস্ত্রের মানোন্নয়নে কাজ করতে হবে কিয়েভকে।
এ ছাড়া ঋণের একটি অংশ ইউরোপীয় ইউনিয়নকে ড্রোন সরবরাহের খাতে ব্যয় করা হবে। প্রতিরক্ষামন্ত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, এ খাতে ইউক্রেনের প্রায় ২৭ বিলিয়ন ডলারের ঘাটতি রয়েছে। ফলে প্রয়োজনীয় পরিমাণ ড্রোন সরবরাহ করতে পারছে না দেশটি।
রাশিয়ার সঙ্গে ইউক্রেনের সীমান্তের দৈর্ঘ্য প্রায় ১ হাজার ৯২৫ কিলোমিটার। এর মধ্যে প্রায় ১ হাজার ২০০ কিলোমিটার এলাকায় যুদ্ধ চলছে। ইউক্রেনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী দাবি করেছেন, যুদ্ধে কাঙ্ক্ষিত সুবিধা করতে না পেরে রাশিয়া ইউক্রেনীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে।
প্যাট্রিয়ট যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি অত্যাধুনিক ও মোবাইল আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। এটি সারফেস-টু-এয়ার মিসাইল সিস্টেম হিসেবে শত্রুপক্ষের বিমান, ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং আঘাত হানতে উদ্যত কৌশলগত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করতে সক্ষম।
গত জুন থেকে প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্রের ঘাটতিতে ভুগছে ইউক্রেন। এই ঘাটতি পূরণে দেশটির প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি কয়েক দফা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে ক্ষেপণাস্ত্র সহায়তা চেয়েছেন। তবে ট্রাম্প এতে সম্মতি দেননি। পরে গত আগস্টে ইউক্রেনের অভ্যন্তরে প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনের অনুমতি চাইলেও তাতেও সাড়া মেলেনি।
এদিকে মার্কিন শান্তি আলোচকদের সফরের সময় সাময়িক বিরতির পর মঙ্গলবার কিয়েভসহ ইউক্রেনের বিভিন্ন এলাকায় আবারও প্রায় অবিরাম ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুরু করেছে রাশিয়া। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, রাজধানী কিয়েভে পাঁচজন এবং দেশের অন্যান্য অঞ্চলে আরও কয়েকজন নিহত হয়েছেন।
ন্যাটোর মহাসচিব মার্ক রুটে বৈঠকে বলেছেন, ইউক্রেনের মিত্রদের সামনে সহায়তা বাড়ানোর কোনো বিকল্প নেই। কারণ কিয়েভকে বিভিন্ন রণাঙ্গনে তৈরি হওয়া সুযোগ কাজে লাগানোর পাশাপাশি আকাশপথে নিজেদের সুরক্ষিত রাখার সক্ষমতা অর্জন করতে হবে।
সূত্র : রয়টার্স।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...