বিজ্ঞাপন
ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইআরএনএ-এর বরাতে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম নিউজ-১৮ শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) এই চাঞ্চল্যকর তথ্য নিশ্চিত করেছে।
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযান শুরু হওয়ার পর এটিই প্রথম বড় ধরনের প্রাণহানির ঘটনা। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রগুলো জানিয়েছে, শনিবার বৃহত্তর হামলার অংশ হিসেবে মিনাব শহরের ওই বিদ্যালয়টিকে লক্ষ্যবস্তু করা হলে সেখানে অবস্থানরত কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ওপর বোমাবর্ষণ করা হয়। এতে ঘটনাস্থলেই কয়েক ডজন ছাত্রীর মৃত্যু ঘটে।
শনিবার ভোরে শুরু হওয়া এই অভিযানে ইরানের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও কৌশলগত স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালানো হচ্ছে। এমনকি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির কার্যালয়ের সন্নিকটে একাধিক বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। রাজধানী তেহরানের বিভিন্ন অংশ থেকে ধোঁয়ার কুণ্ডলী উঠতে দেখা গেছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে এই ‘বড় ধরনের সামরিক অভিযান’ পরিচালনার বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছেন। একই সঙ্গে তিনি ইরানের সাধারণ জনগণকে ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর থেকে ক্ষমতায় থাকা নেতৃত্বের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর এবং চ্যালেঞ্জ জানানোর আহ্বান জানিয়েছেন।
ইরানের বিভিন্ন শহরে এখনো বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যাচ্ছে। এই বর্বরোচিত হামলায় বেসামরিক নাগরিক ও শিশুদের প্রাণহানির ঘটনায় বিশ্বজুড়ে তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। মানবাধিকার সংস্থাগুলো এই হামলার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং যুদ্ধ বন্ধের দাবি জানিয়েছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...