বিজ্ঞাপন
সংবাদমাধ্যম আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে পারসি বলেন, ট্রাম্প প্রশাসন হয়তো ভেবেছিল পারস্য উপসাগরে শক্তিশালী বিমানবাহী রণতরী পাঠিয়ে ইরানকে এতটাই আতঙ্কিত করা যাবে যে তারা নতি স্বীকার করবে। কিন্তু বাস্তব সত্য হলো, ইরানের এই বিশেষ ধর্মতান্ত্রিক সরকার যুদ্ধের চেয়ে আত্মসমর্পণ করাকে অনেক বেশি ভয় পায়।
এর কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে এই বিশেষজ্ঞ উল্লেখ করেন, ইরান সরকার বিশ্বাস করে যে তারা হয়তো একটি সরাসরি যুদ্ধ সামলে নিয়ে টিকে থাকতে পারবে। কিন্তু একবার যদি তারা বিদেশের কাছে আত্মসমর্পণ করে, তবে শাসনব্যবস্থা হিসেবে তাদের টিকে থাকা আর কোনোভাবেই সম্ভব হবে না।
পারসি আরও মনে করেন, এমন কাউকে খুঁজে পাওয়া যে আত্মসমর্পণ করতে রাজি হবে— তার জন্য কেবল নেতৃত্বকে সরিয়ে দিলেই চলবে না, বরং পুরো দেশটাকেই কার্যত ধ্বংস করে দিতে হবে। ট্রাম্প প্রশাসন জানে না এই লক্ষ্য অর্জন করতে কত সময় লাগবে বা আদৌ তা সম্ভব কি না।
তিনি আরও যোগ করেন, এই পরিস্থিতির বিপরীতে ইরানের কৌশল হবে অত্যন্ত কঠোর। তারা যুক্তরাষ্ট্র, মার্কিন সেনাবাহিনী, বিশ্ব অর্থনীতি, প্রতিবেশী দেশ এবং বৈশ্বিক বাজারের ওপর যতটা সম্ভব বড় আঘাত হানার চেষ্টা করবে। ইরানের মূল উদ্দেশ্য হলো পরিস্থিতিকে ট্রাম্পের জন্য এতটাই ব্যয়বহুল ও ঝুঁকিপূর্ণ করে তোলা যেন তিনি এই সংঘাতের পথে হাঁটার সাহস হারিয়ে ফেলেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...