বিজ্ঞাপন
গত ১ মার্চ অধিদপ্তরের পরিচালক প্রফেসর এম এম সহিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত পরিচালিত তদন্তে বকশীগঞ্জের ৯টি প্রতিষ্ঠানে ব্যাপক অনিয়ম ধরা পড়েছে।
তদন্তের তালিকায় থাকা প্রতিষ্ঠানগুলো হলো: খাদেমুন মইন মহিলা ডিগ্রি কলেজ (তদন্ত প্রতিবেদনভুক্ত), খাদিমুল মইন মহিলা ডিগ্রি কলেজ, ঘাসিরপাড়া রোকেয়া বেগম উচ্চ বিদ্যালয়, বকশীগঞ্জ খয়ের উদ্দিন (সিনিয়র) ফাজিল মাদ্রাসা, মালিরচর মৌলভীপাড়া দাখিল মাদ্রাসা, মেরুরচর হাসেন আলী উচ্চ বিদ্যালয়, যাদুরচর দাখিল মাদ্রাসা, লাউচাপড়া উচ্চ বিদ্যালয় এবং হাসিনা গাজী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়।
অধিদপ্তরের তদন্তে জাল বা ভুয়া সনদ, অবৈধ নিয়োগ, অর্থ আত্মসাৎ এবং ভ্যাট-আইটি সংক্রান্ত নানা আর্থিক অনিয়ম উঠে এসেছে। এর ফলে মোট ৮৯ কোটি ৮২ লাখ ২৫ হাজার ৬০৭ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরতের সুপারিশ করা হয়েছে। এছাড়া প্রতিষ্ঠানগুলোর বেহাত হওয়া ১৭৬.৫২৩ একর জমি উদ্ধারের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তবে তালিকাভুক্ত কিছু প্রতিষ্ঠান এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। মালিরচর মৌলভীপাড়া দাখিল মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, তাদের প্রতিষ্ঠানের সব কার্যক্রম নিয়মমাফিক চলছে এবং তথ্যগত ভুলের কারণে তাদের নাম তালিকায় এসেছে। তারা বিষয়টি ইতিমধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন।
পরিচালক প্রফেসর এম এম সহিদুল ইসলাম জানান, সারাদেশের ৯৭৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রতিবেদন অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।
শিক্ষা সংশ্লিষ্ট মহলে এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন নাগরিকরা দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
সর্বশেষ
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...