বিজ্ঞাপন
নির্মাণকাজ শেষ হলেও এখনো কর্তৃপক্ষের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর না হওয়া এবং জনবল নিয়োগ না দেওয়ায় সৃষ্টি হয়েছে এ জটিলতা।
জানা যায়, ২০২১ সালের ৯ জানুয়ারি মসজিদটির নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। একই বছর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান প্রকল্প বাস্তবায়ন লিমিটেড কাজ শুরু করে।
পরে ২০২৩ সালের ৩০ অক্টোবর তৎকালীন সরকার প্রধান ভার্চুয়ালি মসজিদটির উদ্বোধন করেন। কিন্তু উদ্বোধনের দুই বছরের বেশি সময় পার হলেও মসজিদটি এখনো মুসল্লিদের জন্য উন্মুক্ত হয়নি।
স্থানীয় মুসল্লি আলহাজ নজরুল ইসলাম বলেন, ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের ৫ বছর এবং উদ্বোধনের ২ বছরের বেশি সময় পার হলেও মসজিদটি তালাবদ্ধ থাকায় মুসল্লিদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। আজাদ আলী, মিজানুর রহমান মজনু, জাকির হোসেন, আক্কা আলী, শহিদুল ইসলামসহ শতাধিক মুসল্লি ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, নির্মাণকাজ শেষ হলেও আমরা দীর্ঘদিন ধরে মসজিদটিতে নামাজ অদায় করতে পারছি না।
মসজিদের সেক্রেটারি শিহাব উদ্দিন সরকার বলেন, উদ্বোধনের দুই বছরের বেশি সময় পার হলেও মসজিদটি তালাবদ্ধ রয়েছে। মুসল্লিদের কথা বিবেচনা করে দ্রুত মসজিদটি খুলে দেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।
ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান প্রকল্প বাস্তবায়ন লিমিটেডের ম্যানেজার সেলিম হোসেন বলেন, আমরা মসজিদটির নির্মাণকাজ সম্পন্ন করেছি। কর্তৃপক্ষ বুঝে নিলেই সমস্যার সমাধান হবে।
তাড়াশ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নুসরাত জাহান বলেন, জনবল ছাড়া একটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান পরিচালনা সম্ভব নয়। দ্রুত জনবল নিয়োগ দিয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ও মসজিদ পরিচালনা কমিটির সঙ্গে সমন্বয় করে মসজিদটি নামাজের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
সর্বশেষ
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...