বিজ্ঞাপন
সম্প্রতি জাতীয় দলের ওয়ানডে অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ বলেছেন, সাকিবের মতো অভিজ্ঞ ক্রিকেটার দলে থাকলে অধিনায়কের কাজ অনেক সহজ হয়ে যায়। তার অভিজ্ঞতা ও পারফরম্যান্স দলকে সবসময়ই বাড়তি শক্তি দেয়।
এদিকে গুঞ্জন উঠেছিল, আসন্ন ঘরের মাঠে পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ দিয়েই হয়তো আবার জাতীয় দলে ফিরতে পারেন সাকিব। তবে আপাতত সেই সম্ভাবনা বাস্তবে রূপ নিচ্ছে না। ইতোমধ্যে পাকিস্তান সিরিজের জন্য দল ঘোষণা করেছে বিসিবি, সেখানে জায়গা হয়নি বিশ্বসেরা এই অলরাউন্ডারের।
মূলত তার বিরুদ্ধে চলমান মামলার বিষয়ে কোনো অগ্রগতি না থাকায় এখনো দেশে ফেরেননি সাকিব। ফলে পাকিস্তান সিরিজে তার খেলার সুযোগ থাকছে না, আরেকটু দীর্ঘ হচ্ছে অপেক্ষা।
তবে পাকিস্তান সিরিজে না খেললেও আগামী মাসে নিউজিল্যান্ড সিরিজ দিয়েই জাতীয় দলে ফেরার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন সাকিব আল হাসান। ঢাকা পোস্টকে পাঠানো এক খুদে বার্তায় তিনি জানিয়েছেন, নিজের ফিটনেস ধরে রাখতে নিয়মিত কঠোর অনুশীলন চালিয়ে যাচ্ছেন।
এর আগে গত ৪ মার্চ কক্সবাজার আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বিসিবি পরিচালক আসিফ আকবর বলেন,
“সাকিবের বিষয়টি নিয়ে কাজ চলছে। বিসিবি থেকে বিষয়টি মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। মন্ত্রণালয় ও আমাদের লিগ্যাল টিম একসঙ্গে বিষয়টি দেখছে।”
তিনি আরও বলেন,
“সাকিবের যে আইনগত বিষয়গুলো নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে, সেগুলো সমাধানের জন্য মন্ত্রণালয় ও বিসিবি যৌথভাবে কাজ করছে। আমরা আশাবাদী খুব দ্রুতই সাকিবকে আবার বাংলাদেশের ক্রিকেটে দেখতে পাব। সারা দেশের মানুষের মতো আমরাও সেই অপেক্ষায় আছি।”
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে সবশেষবারের মতো বাংলাদেশের হয়ে আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছিলেন সাকিব আল হাসান। সে সময় পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের সংসদ সদস্য থাকায় নানা বিতর্ক ও সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি। একাধিক মামলার কারণে দেশে ফেরা নিয়েও তৈরি হয় জটিলতা। এমনকি একবার দেশে ফেরার উদ্দেশ্যে দুবাই পর্যন্ত এলেও পরে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করতে হয় তাকে।
তবে সব জটিলতা কাটিয়ে খুব শিগগিরই আবারও জাতীয় দলের জার্সিতে সাকিবকে দেখা যাবে—এমন আশাই করছেন ভক্তরা।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...