Logo Logo

বাকেরগঞ্জে দর্জি পাড়ায় ঈদের ব্যস্ততা" নতুন পোশাক তৈরিতে নির্ঘুম কারিগররা


Splash Image

বাকেরগঞ্জের দর্জি বাড়ির কারিগররা ঈদের পোষাক তৈরিতে এখন নির্ঘুম রাত পার করছে। ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে ব্যস্ত সময় পার করছে এখানকার পোষাক তৈরির কারিগররা। দিন- রাত নতুন পোশাক প্রস্তুুতে এখন তাদের নিঃশ্বাস ফেলার মতো সময় নেই।


বিজ্ঞাপন


সাধারনত প্রতিবছর ঈদের আগে টেইলারিং দোকান গুলোতে পোশাক তৈরির চাপ বেড়ে যায়। ১৫ রমজানের পরে অনেক খ্যাতিমান পোশাক তৈরির দোকানে অর্ডার নেওয়া বন্ধ হয়ে যায়।আবার চাঁদ রাতেই তৈরিকৃত পোষাক কাস্টমারদের বুঝিয়ে দিতে হয়। সর্বপরি রমজানের শুরু থেকেই টেইলারিং দোকান বা দর্জি বাড়ি গুলো পোশাক প্রস্তুতের মেশিনের গড়গড় আওয়াজে সরগরম থাকে।

ঈদকে কেন্দ্র করে বছরের ৪০ শতাংশ পোষাক তৈরির চাপ পড়ে দর্জি পাড়ার কারিগরদের।গার্মেন্টসের রেডিমেট পোষাকের ভীড়েও অনেক রুচিশীল ক্রেতারা এখনো পছন্দসই পোশাক বানিয়ে পড়তে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে।

ঈদের নতুন পোশাক তৈরির চাপে এসময় দর্জিরা কাপরের অন্য কোন কাজের অর্ডার রাখছে না।

বাকেরগঞ্জ থানা মসজিদ মার্কেটের পোশাক কারিগর মজিবর রহমান জানান , প্রতিবছর শবেবরাতের পর থেকেই বেরে যায় কাজের চাপ, এবং এসময় মৌসুম ভিত্তিক কারিগর নিয়োগ করতে হয়। পৌরসভার সদর রোডের ঐতিহ্য বাহী পোশাক প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান তনু বাহারের স্বত্বাধিকারী হেলাল উদ্দিন জানান, বানানো শার্ট, প্যান্ট পরতে বেশ আরামদায়ক এবং ইচ্ছেমত মাপ দিয়ে বানানো যায় বিধায় এখনো রুচিশীল মানুষেরা এই পোশাক পছন্দ করে।

অপর দিকে মেয়েরা এখনো বানানো স্যালোয়ার,কামিজ ও থ্রীপিসে বেশ স্বাচ্ছন্দ বোধ করে ।

সরে জমিনে বাকেরগঞ্জ বন্দর ও সদররোডের একাধিক টেইলার্সদের দোকান ঘুরে দেখা গেছে, অত্যন্ত ব্যস্ততার মধ্যে পোশাক কারিগররা দিনরাত নির্ঘুম কাজ করে যাচ্ছে।

অনেক টেইলার্স ইতিমধ্যে নতুন করে অর্ডার নেওয়া বন্ধ করে দিয়েছে।

পোষাক কারিগরিগররা জানান, তাদের কাছে মুলত ছোট ছোট বাচ্চাদের পোশাকের চেয়ে বড়দের জামা,প্যান্ট,বয়স্কদের পাঞ্জাবি, জুব্বা, মেয়েদের দুপীস,থ্রীপীস বেশী বানানো হয়।

দর্জির দোকানে পোষাক প্রস্তুতের জন্য আসা একাধিক ব্যক্তি জানান, বানানো পোশাক পড়তে আরাম,মাপ ঠিক থাকে, বড় ছোট হয়না,এবং সেলাই টিকসই থাকে।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

আরো দেখুন


বিজ্ঞাপন

পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...