ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান।
বিজ্ঞাপন
এর মাত্র একদিন আগে ডোনাল্ড ট্রাম্প এক বিবৃতিতে ইরানকে শর্তহীনভাবে পুরোপুরি আত্মসমর্পণের আলটিমেটাম দেন, অন্যথায় যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন।
ট্রাম্পের এই হুমকির প্রতিক্রিয়ায় পেজেশকিয়ান বলেন, “তারা আমাদের নিঃশর্ত আত্মসমর্পণের স্বপ্নকে নিয়ে কবরে যাবে।”
এদিকে, পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট এক ভয়াবহ বার্তা দিয়েছেন। ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেন, ইরানের ওপর মার্কিন বাহিনীর ‘বৃহত্তম বোমাবর্ষণ কর্মসূচি’ পরিচালিত হতে যাচ্ছে। বিশেষ করে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্র ও তৈরির কারখানাগুলোকে লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হবে যাতে সেগুলো পুরোপুরি অকার্যকর হয়ে পড়ে।
অন্যদিকে, মার্কিন সামরিক কর্মকর্তাদের দাবি অনুযায়ী ইরান যুদ্ধক্ষেত্রে ক্রমে দুর্বল হয়ে পড়ছে। শীর্ষ মার্কিন কমান্ডার জেনারেল ড্যান কেইন জানান, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের হার ৮৬ শতাংশ কমে গেছে। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্ট-কম) জানিয়েছে, মঙ্গলবার এই সক্ষমতা আরও ২৩ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।
দুই দেশের শীর্ষ পর্যায়ের এই বাদানুবাদ ও পাল্টাপাল্টি হামলার হুমকিতে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি এক চরম উত্তজনাপূর্ণ অবস্থায় উপনীত হয়েছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
সর্বশেষ
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...