Logo Logo

ইরানের হামলায় ৩০ কোটি ডলারের মার্কিন রাডার ব্যবস্থা ধ্বংস


Splash Image

উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মেরুদণ্ড হিসেবে পরিচিত একটি গুরুত্বপূর্ণ রাডার ব্যবস্থা ধ্বংস করার দাবি করেছে ইরান।


বিজ্ঞাপন


জর্ডানের একটি বিমানঘাঁটিতে চালানো এই হামলায় মার্কিন থাড (THAAD) প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার প্রায় ৩০ কোটি ডলার মূল্যের রাডার ও আনুষঙ্গিক সরঞ্জাম ধ্বংস হয়েছে, যা এই অঞ্চলে মার্কিন ও তার মিত্রদের হামলা প্রতিহত করার সক্ষমতাকে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে।

শনিবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গের এক প্রতিবেদনে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

সিএনএন-এর বিশ্লেষিত স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা গেছে, যুদ্ধের শুরুর দিকেই জর্ডানের মুওয়াফফাক সালতি বিমানঘাঁটিতে মোতায়েনকৃত আরটিএক্স করপোরেশনের এএন/টিপিওয়াই-২ রাডার ব্যবস্থাটি হামলার শিকার হয়। প্রতিটি থাড ব্যাটারির মূল্য প্রায় এক বিলিয়ন ডলার, যার মধ্যে কেবল এই রাডার ব্যবস্থার মূল্যই ৩০ কোটি ডলার।

এদিকে, আঞ্চলিক যুদ্ধ দ্বিতীয় সপ্তাহে গড়িয়ে যাওয়ায় শনিবার ইরানের নৌবাহিনী ইসরায়েলসহ সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে একযোগে বড় ধরনের ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে।

ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তা সংস্থা ইরনা জানিয়েছে, শনিবারের এই হামলায় সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল-মিনহাদ ঘাঁটি, কুয়েতের একটি ঘাঁটি এবং ইসরায়েলের কৌশলগত স্থাপনাগুলোকে নিশানা করা হয়েছে।

একই সময়ে ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল-ধাফরা বিমান ঘাঁটিতে হামলার দাবি করেছে। আইআরজিসি’র বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই ড্রোন হামলায় মার্কিন বাহিনীর আকাশযুদ্ধ কেন্দ্র, স্যাটেলাইট যোগাযোগ কেন্দ্র এবং আর্লি ওয়ার্নিং রাডার ব্যবস্থা গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে বিমান হামলা চালিয়ে দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে হত্যার পর মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে এই ভয়াবহ যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ে। এরপর থেকেই ইরান ও তার মিত্র শক্তিগুলো ইসরায়েল এবং মার্কিন স্থাপনাগুলোতে লাগাতার ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে পাল্টা জবাব দিচ্ছে।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

আরো দেখুন


বিজ্ঞাপন

পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...