বিজ্ঞাপন
কারখানা সূত্র থেকে জানা গেছে, এবারের ঈদযাত্রা নিরাপদ করতে মোট ১০০টি অতিরিক্ত কোচ মেরামতের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ইতিমধ্যে ৬০টি কোচের সংস্কার কাজ শেষ করে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বাকি ৪০টি কোচে বর্তমানে শেষ মুহূর্তের ঘষামাজা ও যান্ত্রিক পরীক্ষার কাজ চলছে।
সৈয়দপুর কারখানার বিভিন্ন শপে একযোগে চাকা ও আন্ডারগিয়ার মেরামত, বডি ওয়েল্ডিং, সিট ও অভ্যন্তরীণ সরঞ্জাম সংস্কারসহ ইলেকট্রিক্যাল ফিটিংস এবং রং-বার্নিশের কাজ চলছে। পুরনো ও অকেজো কোচগুলোকে যাত্রীসেবার উপযোগী এবং দৃষ্টিনন্দন করে তুলতেই এই বিশাল কর্মযজ্ঞ চালানো হচ্ছে।
তবে কারখানায় পর্যাপ্ত জনবল না থাকায় বিদ্যমান কর্মচারীদের ওপর অতিরিক্ত কাজের চাপ সৃষ্টি হয়েছে। লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে শ্রমিকরা ওভারটাইমের পাশাপাশি ছুটির দিনেও কাজ করে যাচ্ছেন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আশাবাদী যে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সবকটি কোচ প্রস্তুত করে রেলের বহরে যুক্ত করা সম্ভব হবে।
সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার ঊর্ধ্বতন উপ-সহকারী প্রকৌশলী (জিওএইচ) আরিফুর রহমান জানান, ঈদযাত্রাকে নিরাপদ ও আরামদায়ক করতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করা হচ্ছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোচ হস্তান্তরের লক্ষ্যে সবাই সমন্বিতভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
অন্য এক ঊর্ধ্বতন উপ-সহকারী প্রকৌশলী (সিএন্ডডাব্লিউ) মমিনুল ইসলাম জানান, প্রতিটি কোচের যান্ত্রিক ও কারিগরি দিকগুলো অত্যন্ত সূক্ষ্মভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তবেই চলাচলের ছাড়পত্র দেওয়া হচ্ছে। কোনো ধরনের ত্রুটি যেন না থাকে সেদিকে কড়া নজরদারি রয়েছে।
এদিকে কর্মব্যবস্থাপক মমতাজুল ইসলাম বলেন, ঈদে ঘরমুখো মানুষের যাতায়াত সহজ করতে বিশেষ ট্রেন চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। বর্তমানে মেরামতকৃত এই কোচগুলোই ঈদের বিশেষ বা স্পেশাল ট্রেনে যুক্ত করা হবে।
সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, শ্রমিকদের এই নিরলস পরিশ্রম এবং কর্তৃপক্ষের নিবিড় তদারকির ফলে এবারের ঈদযাত্রা সাধারণ মানুষের জন্য আরও স্বাচ্ছন্দ্যময় ও নিরাপদ হবে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...