ছবি: সংগৃহীত
বিজ্ঞাপন
রোববার সন্ধ্যায় টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শিরোপা লড়াইয়ে মুখোমুখি হবে ভারত ও নিউজিল্যান্ড। বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ভারত এবার ঘরের মাঠে টানা দ্বিতীয়বার শিরোপা জয়ের সুযোগ পাচ্ছে। ইতিহাস বলছে, কোনো দল এখনো টানা দুইবার টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিততে পারেনি। তাই গৌতম গম্ভীরের দলের সামনে রয়েছে নতুন রেকর্ড গড়ার হাতছানি।
সুপার এইট ও সেমিফাইনালে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়ে ফাইনালে উঠেছে ভারত। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও ইংল্যান্ডকে দাপটের সঙ্গে হারিয়ে চতুর্থবারের মতো বিশ্বকাপ ফাইনালে জায়গা করে নেয় তারা। জিততে পারলে প্রথম দল হিসেবে তিনটি টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শিরোপা জয়ের ইতিহাস গড়বে ভারত।
তবে পথটা মোটেও সহজ নয়। প্রতিপক্ষ নিউজিল্যান্ড ইতিমধ্যে সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে উড়িয়ে দিয়ে নিজেদের শক্তি দেখিয়েছে। ওপেনার ফিন অ্যালেনের রেকর্ড গড়া সেঞ্চুরিতে তারা নিশ্চিত করে ফাইনাল। অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনার আত্মবিশ্বাসী, ‘আমরা যদি নিজেদের স্বাভাবিক খেলাটা খেলতে পারি, তাহলে বড় দলের বিপক্ষেও অঘটন ঘটাতে পারব।’
পরিসংখ্যানও ব্ল্যাক ক্যাপদের কিছুটা সাহস জোগায়। টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারত–নিউজিল্যান্ড তিনবার মুখোমুখি হয়েছে এবং প্রতিবারই জিতেছে নিউজিল্যান্ড। অন্যদিকে ভারতের জন্য রয়েছে কিছু চাপের ইতিহাস। স্বাগতিক হিসেবে কোনো দল এখনো টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জেতেনি। তাছাড়া ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপের ফাইনালেও এই আহমেদাবাদেই অস্ট্রেলিয়ার কাছে হারের স্মৃতি রয়েছে ভারতের।
তবে ভারতের শক্তিও কম নয়। গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ব্যাট হাতে জ্বলে উঠেছেন সঞ্জু স্যামসন, আর বোলিংয়ে আবার চেনা ছন্দে ফিরেছেন জাসপ্রিত বুমরাহ। যদিও ওপেনার অভিষেক শর্মা ও স্পিনার বরুণ চক্রবর্তীর ফর্ম নিয়ে কিছুটা দুশ্চিন্তা রয়েছে।
ফাইনালের আগে সূর্যকুমার বলেন, ‘ভারতেই যখন শিরোপার ম্যাচ, তখন চাপ থাকবেই। তবে দল ও সাপোর্ট স্টাফরা ভীষণ রোমাঞ্চিত।’
এখন প্রশ্ন একটাই—আহমেদাবাদের গ্যালারি কি আজ ভারতীয় উল্লাসে ভাসবে, নাকি নিউজিল্যান্ড ভেঙে দেবে সেই স্বপ্ন?
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...