ইরানের খাতামুল আম্বিয়া (সা.) কেন্দ্রীয় সদর দপ্তরের একজন মুখপাত্র। ছবি: সংগৃহীত
বিজ্ঞাপন
সদর দপ্তরের মুখপাত্রের দাবি অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্য করে ধারাবাহিকভাবে ধ্বংসাত্মক অভিযান চালানো হচ্ছে। এসব হামলায় মার্কিন বাহিনীর বেশ কয়েকজন কমান্ডারসহ অসংখ্য সৈন্য হতাহত হয়েছেন। পাশাপাশি মার্কিন সামরিক অবকাঠামো ও সম্পদেরও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে তেহরান দাবি করেছে।
প্রতিবেদনে সুনির্দিষ্ট তথ্যের বরাতে বলা হয়েছে, মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম নৌবহরে (ফিফথ ফ্লিট) চালানো হামলায় অন্তত ২১ জন মার্কিন সেনা নিহত এবং আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। এছাড়া সংযুক্ত আরব আমিরাতে অবস্থিত মার্কিন আল ডাফরা বিমান ঘাঁটিতে হামলায় প্রায় ২০০ জনের মতো সেনা হতাহত হওয়ার দাবি করেছে ইরান। পাশাপাশি পারস্য উপসাগরের উত্তর অংশে একটি মার্কিন তেলবাহী জাহাজেও হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে জানানো হয়েছে।
অন্যদিকে, ইরানের দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধ সক্ষমতা নিয়ে মুখ খুলেছেন ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) মুখপাত্র আলী মোহাম্মদ নাইহিনী। আধা-সরকারি সংবাদমাধ্যম ‘ফার্স নিউজ এজেন্সি’-কে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি জানান, ইরান বর্তমান তীব্র মাত্রার যুদ্ধ অন্তত ছয় মাস ধরে চালিয়ে যাওয়ার পূর্ণ সক্ষমতা রাখে। ইরানের সশস্ত্র বাহিনী যেকোনো পরিস্থিতির জন্য সর্বোচ্চ প্রস্তুত রয়েছে বলেও তিনি হুঁশিয়ারি দেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...