বিজ্ঞাপন
ইরানের তাসনিম নিউজ এজেন্সি সোমবার (৯ মার্চ) প্রথম এ ধরনের দাবি প্রকাশ করে। ফার্সি ভাষার এই সংবাদমাধ্যমটি তাদের প্রতিবেদনে নেতানিয়াহুর ওপর হামলা বা তার ক্ষয়ক্ষতির কোনো নিশ্চিত তথ্য বা দৃশ্যমান প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেনি।
তবে তাসনিম কয়েকটি পরিস্থিতিগত বিষয় উল্লেখ করে এ নিয়ে জল্পনা উসকে দেয়। এর মধ্যে রয়েছে—গত কয়েক দিন ধরে নেতানিয়াহুর কোনো নতুন ভিডিও বার্তা প্রকাশ না হওয়া, ইসরায়েলি গণমাধ্যমে তার বাড়ির আশপাশে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের খবর, মার্কিন ব্যবসায়ী জ্যারেড কুশনার এবং যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের কথিত সফর স্থগিত হওয়া।
এ ছাড়া ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ ও নেতানিয়াহুর মধ্যকার একটি ফোনালাপের ফরাসি রেকর্ডও সামনে আনা হয়েছে, যেখানে কথোপকথনের নির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ করা হয়নি।
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম জেরুজালেম পোস্ট জানিয়েছে, তাসনিম নিউজ মূলত রুশ গণমাধ্যমের উদ্ধৃতি এবং সাবেক মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা স্কট রিটারের একটি এক্স (সাবেক টুইটার) পোস্টের দাবির ওপর ভিত্তি করে এই তথ্য প্রকাশ করেছে।
সোমবার এক্সে স্কট রিটার নামের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে করা পোস্টে দাবি করা হয়, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয় এবং সেখানেই নেতানিয়াহু নিহত হন। ওই সময় তার বাসভবনে উপস্থিত ছিলেন ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গিভর, যিনি হামলায় আহত হয়েছেন বলেও দাবি করা হয়।
তবে সংশ্লিষ্ট পোস্টটি সত্যিই স্কট রিটারের অফিসিয়াল অ্যাকাউন্ট থেকে করা হয়েছে কি না—তা এখনো নিশ্চিত নয়। এদিকে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ এ ধরনের দাবিকে যুদ্ধকালীন ‘অপপ্রচার’ বা ‘ষড়যন্ত্র তত্ত্ব’ হিসেবে উড়িয়ে দিয়েছে।
এর আগে গত ২ মার্চ কয়েকটি ইরানি সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছিল, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ধ্বংস হয়ে গেছে এবং নেতানিয়াহু নিহত হয়েছেন।
তবে পরে চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সিনহুয়া এবং আরও কয়েকটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, নেতানিয়াহুর দপ্তরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার খবরটি ভিত্তিহীন এবং এটি গুজব বলে প্রতীয়মান হয়েছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...