বিজ্ঞাপন
ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধের মাঝামাঝি সময়ে জুভেন্টাসের সাবেক স্ট্রাইকার কাইও হোর্হের গোলে এগিয়ে যায় ক্রুজেইরো। গোল হজম করার পর সমতা ফেরাতে মরিয়া হয়ে ওঠে আতলেতিকো মিনেইরো।
নাটকীয় ঘটনা ঘটে যোগ করা সময়ের ষষ্ঠ মিনিটে। ক্রুজেইরোর উইঙ্গার ক্রিস্টিয়ানের একটি ট্যাকল সহ্য করতে না পেরে আতলেতিকোর গোলরক্ষক এভারসন তার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েন। ধাক্কাধাক্কির এক পর্যায়ে তিনি হাঁটু দিয়ে চেপে ধরেন প্রতিপক্ষের বুক।
মুহূর্তের মধ্যে দুই দলের খেলোয়াড়রা মাঠে জড়ো হয়ে মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন। ডাগআউট থেকে নেমে আসেন বদলি খেলোয়াড় ও স্টাফরাও। প্রায় ১০ মিনিট ধরে কিল, ঘুষি ও লাথির মহড়া চলে মাঠজুড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে শেষ পর্যন্ত মাঠে ডাকা হয় মিলিটারি পুলিশ।
রেফারি মাতিউস কান্দানসান পুলিশি নিরাপত্তায় মাঠ ছাড়েন। পরে ম্যাচ রিপোর্টে তিনি জানান, ঘটনার জেরে ১১ জন আতলেতিকো মিনেইরো এবং ১২ জন ক্রুজেইরো খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাকে লাল কার্ড দেখানো হয়েছে।
বহিষ্কৃতদের তালিকায় ছিলেন আতলেতিকো অধিনায়ক হাল্কও। ৩৯ বছর বয়সী এই অভিজ্ঞ স্ট্রাইকার ম্যাচ শেষে নিজের আচরণের জন্য দুঃখ প্রকাশ করলেও রেফারির সিদ্ধান্ত নিয়েও প্রশ্ন তোলেন।
হাল্ক বলেন, “আমি শুরু থেকেই রেফারিকে বলছিলাম ম্যাচটা তার নিয়ন্ত্রণে নেই। শুরুতেই কঠোর সিদ্ধান্ত নিলে হয়তো পরিস্থিতি এতটা খারাপ হতো না। সতীর্থকে আক্রান্ত হতে দেখে নিজেকে সামলাতে পারিনি। এজন্য আমি দুঃখিত।”
এই ঘটনার পর ব্রাজিলিয়ান ফুটবল মহলে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়েছে। শৃঙ্খলাভঙ্গের দায়ে সংশ্লিষ্ট খেলোয়াড়দের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তি আসতে পারে বলেও ধারণা করা হচ্ছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...