বিজ্ঞাপন
জেলা সদরের ৯নং চল্লিশা ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের দড়িজাগী ও সনুরা গ্রামের গইঞ্চাতুল এবং বিল চলুঙ্গি এলাকায় প্রায় ৫ হাজার হেক্টর জমির মধ্যে প্রায় ৬০ শতাংশ ফসলের ক্ষতি হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
স্থানীয় কৃষক ও এলাকাবাসী জানান, কয়েকদিন ধরে চলা কালবৈশাখী ঝড় ও শিলাবৃষ্টির আঘাতে ধানসহ বিভিন্ন মৌসুমি ফসল মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়েছেন নিম্ন ও মধ্যম আয়ের কৃষকরা।
ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে বারেকের ৪০ কাঠা, শাহবুলের ২০ কাঠা, এনামুলের ১৫ কাঠা, ইউনুসের ৩০ কাঠা, বিল্লালের ১০ কাঠা, আলতুর ২০ কাঠা, এবং মুকুল ও নাজিম উদ্দীন খাঁ’র ১৫ কাঠা জমির ফসলের বড় অংশ নষ্ট হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রেই জমির প্রায় ৬০ শতাংশ ফসল সম্পূর্ণ বিনষ্ট হয়েছে। এছাড়া এরশাদ মিয়াসহ শত শত কৃষকের জমিতেও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা জানান, হঠাৎ করে হওয়া শিলাবৃষ্টির তীব্রতায় জমিতে দাঁড়িয়ে থাকা ফসল ব্যাপকভাবে নষ্ট হয়ে গেছে। এতে তাদের মৌসুমি উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হচ্ছে। দ্রুত সরকারি সহায়তা না পেলে অনেক কৃষকই চরম সংকটে পড়বেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।
এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মোস্তাহিদ খান, উপজেলা বিএনপির সহ-সাধারণ সম্পাদক এখলাস মিয়া, ৫নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বাতেন এবং ৯নং চল্লিশা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী খান মুজাহিদুল ইসলাম বলেন, “টানা কয়েকদিনের ঝড়, শিলাবৃষ্টি ও জলাবদ্ধতায় এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা দ্রুত প্রস্তুত করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করা জরুরি।”
স্থানীয়দের দাবি, কৃষকদের এই দুরবস্থা বিবেচনায় নিয়ে প্রশাসন ও কৃষি বিভাগকে দ্রুত মাঠপর্যায়ে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করে প্রয়োজনীয় সহায়তা ও পুনর্বাসন কার্যক্রম শুরু করতে হবে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
সর্বশেষ
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...