Logo Logo

নীলফামারীতে চামড়ার বাজারে ধস, ন্যায্যমূল্য না পেয়ে ক্ষুব্ধ বিক্রেতারা


Splash Image

পবিত্র ঈদুল আযহাকে কেন্দ্র করে নীলফামারীতে কোরবানির পশুর চামড়ার বাজারে ভয়াবহ ধস নেমেছে। সরকারি নির্ধারিত মূল্যের সঙ্গে বাস্তব বাজারদরের বিশাল ফারাক থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাধারণ বিক্রেতা, মাদরাসা কর্তৃপক্ষ ও মৌসুমি ব্যবসায়ীরা। অভিযোগ উঠেছে, ট্যানারি সিন্ডিকেট, আগাম অর্থায়নের সংকট ও দুর্বল বাজার মনিটরিংয়ের কারণে চামড়ার ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন সাধারণ মানুষ।


বিজ্ঞাপন


ঈদের দিন ও পরদিন জেলার বিভিন্ন অস্থায়ী বাজার ঘুরে দেখা যায়, মাঝারি গরুর চামড়া বিক্রি হচ্ছে মাত্র ২০০ থেকে ৪০০ টাকায়। বড় চামড়ার দাম উঠছে সর্বোচ্চ এক হাজার টাকা এবং ছাগলের চামড়া বিক্রি হচ্ছে মাত্র ৫ থেকে ১৫ টাকায়।

বিক্রেতারা জানান, লাখ টাকা দিয়ে কোরবানির পশু কিনলেও চামড়ার ন্যায্যমূল্য মিলছে না। খোকশাবাড়ীর মোহাম্মদ লাভলু ইসলাম বলেন, “৯০ হাজার টাকার গরুর চামড়া মাত্র ৩০০ টাকায় বিক্রি করেছি। সিন্ডিকেটের কারণে সাধারণ মানুষ ঠকছে।”

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নির্ধারিত ২০২৬ সালের দর অনুযায়ী ঢাকার বাইরে প্রতি বর্গফুট গরুর চামড়ার দাম ৫৭ থেকে ৬২ টাকা নির্ধারণ করা হলেও বাস্তবে সেই দরের চার ভাগের এক ভাগ দামেও চামড়া বিক্রি হচ্ছে না।

অপরদিকে ব্যবসায়ীরা বলছেন, ট্যানারি মালিকদের কাছ থেকে পর্যাপ্ত আগাম অর্থ না পাওয়া, লবণ ও পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি এবং সংরক্ষণ সংকটের কারণে তারা সরকারি দরে চামড়া কিনতে পারছেন না।

এদিকে চামড়ার দরপতনে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এতিমখানা, হাফিজিয়া ও কওমি মাদরাসাগুলো। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাজার স্থিতিশীল রাখতে সরকারি মনিটরিং জোরদার, ট্যানারি খাতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত এবং মৌসুমি ব্যবসায়ীদের সহজ শর্তে ঋণ সহায়তা জরুরি।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

আরো দেখুন


বিজ্ঞাপন

পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...