বিজ্ঞাপন
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা জানিয়েছেন, রাতের আঁধারে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বোঝা না গেলেও ভোরের আলো ফুটতেই ধ্বংসযজ্ঞের চিত্র স্পষ্ট হয়ে ওঠে। বিশেষ করে ভুট্টা, কলা, আম ও ধানসহ বিভিন্ন জাতের শাকসবজির ক্ষেত শিলাবৃষ্টির আঘাতে লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে। অনেক স্থানে আম ও লিচু গাছের মুকুল ঝরে পড়ায় চলতি মৌসুমে ফলনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বড় ধরনের বাধা তৈরি হয়েছে।
জমির ফসলের পাশাপাশি শিলাবৃষ্টির তাণ্ডবে গ্রামীণ জনপদে বসতবাড়িরও ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। অনেক জায়গায় বড় আকারের শিলার আঘাতে ঘরের টিনের চাল ছিদ্র হয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। মরিচ, করলা, শসা ও বিভিন্ন শাকসবজি চাষিরা জানিয়েছেন, এই আকস্মিক দুর্যোগে তাদের বিনিয়োগকৃত অর্থ তুলে আনা এখন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
স্থানীয় কৃষকদের মতে, এবারের শিলাবৃষ্টির তীব্রতা ছিল অস্বাভাবিক। ফসলি জমির এমন বিপর্যয় কাটিয়ে উঠতে তারা এখন সরকারি সহযোগিতার অপেক্ষায় রয়েছেন। তবে এখন পর্যন্ত সরকারিভাবে ক্ষয়ক্ষতির কোনো আনুষ্ঠানিক পরিসংখ্যান বা তালিকা নিরূপণ করা হয়নি।
ক্ষতিগ্রস্ত উপজেলাগুলোর কৃষি কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে দ্রুত মাঠ পর্যায়ের তথ্য সংগ্রহ করে ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ নির্ধারণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল। প্রকৃতির এই বৈরী আচরণে নীলফামারীর কৃষি অর্থনীতিতে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...