ছবি : সংগৃহীত।
বিজ্ঞাপন
রোববার (২৯ মার্চ) কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) ও দৈনিক সমকালের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত সংস্কার: জনপ্রত্যাশা’ শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।
বৈঠকে বিএনপির ৩১ দফা কর্মসূচির ১৭ নম্বর দফা উদ্ধৃত করে মঞ্জু বলেন, বিএনপি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের সব কালো আইন বাতিল এবং কুইক রেন্টাল কেন্দ্রের দুর্নীতি বন্ধ করা হবে। অথচ বাস্তবে তারা ৩১ দফার ১, ৮ ও ৯ নম্বর দফাও শুরুতে রক্ষা করেনি বলে তিনি অভিযোগ তোলেন।
দৈনিক সমকাল সম্পাদক শাহেদ মোহাম্মদ আলীর সঞ্চালনায় সভায় সূচনা বক্তব্য দেন ক্যাবের জ্বালানি উপদেষ্টা অধ্যাপক শামসুল আলম। বৈঠকে ধারণাপত্র উপস্থাপন করেন ক্যাব প্রতিনিধি শুভ কিবরিয়া। আলোচনায় অনলাইনে যুক্ত হন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। এছাড়া নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, সিপিডির গবেষক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেমসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা বক্তব্য দেন।
মজিবুর রহমান মঞ্জু তার বক্তব্যে আরও জানান, দেশে বিদ্যুতের চাহিদা ১৮ হাজার মেগাওয়াট হলেও ৩২ হাজার মেগাওয়াটের বেশি উৎপাদন সক্ষমতার অবকাঠামো তৈরি করা হয়েছে। এর পেছনে বছরে ৯১ হাজার কোটি টাকা ‘ক্যাপাসিটি চার্জের’ নামে লুটপাট হয়েছে। বড় বড় ঋণখেলাপিরা সংসদ সদস্য হওয়ার পর কীভাবে এই দুর্নীতি থেকে দেশকে উদ্ধার করবেন, তা নিয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন।
সংসদ কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করার কথা জানিয়ে মঞ্জু হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “তারা যদি রাষ্ট্রের সমস্যাকে প্রাধান্য না দিয়ে অতীতের মতো অহেতুক রাজনৈতিক বিতর্ক নিয়ে সময় কাটায়, তবে আমরা যারা নির্বাচনে জিততে পারিনি কিন্তু বিপুল সংখ্যক নাগরিকের সমর্থন পেয়েছি, তারা একটি ‘ছায়া সংসদ’ তৈরি করতে বাধ্য হব।”
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের সংকট সমাধানে জনসচেতনতার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি ক্যাবকে সাধারণ ভোক্তাদের সচেতন করার উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...