বিজ্ঞাপন
সর্বশেষ আসরে হোবার্ট হারিকেনস-এর হয়ে খেলেন রিশাদ। পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে দলের স্পিন আক্রমণকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন তিনি। তার ধারাবাহিক পারফরম্যান্সে মুগ্ধ হয়ে ক্রিকেট তাসমানিয়া তাকে এই সম্মানে ভূষিত করেছে।
২০২৫–২৬ মৌসুমের সেরা পারফরম্যান্স মূল্যায়নে আয়োজিত বার্ষিক পুরস্কার বিতরণীতে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পুরস্কার দেওয়া হয়। এর মধ্যে অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ ‘বর্ষসেরা বিগ ব্যাশ ক্রিকেটার’ ক্যাটাগরিতে সেরার স্বীকৃতি পান রিশাদ হোসেন।
এই পুরস্কারের জন্য তার সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন একই দলের অলরাউন্ডার নিখিল চৌধুরী, ইংল্যান্ডের তারকা পেসার ক্রিস জর্ডান এবং দলনেতা নাথান এলিস। শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা পেরিয়েই শেষ পর্যন্ত সেরার মুকুট ওঠে বাংলাদেশের এই তরুণ লেগ স্পিনারের মাথায়।
পুরো আসরে বল হাতে দারুণ ছন্দে ছিলেন রিশাদ। ১০ ম্যাচে ৭.৮২ ইকোনোমিতে ১৫টি উইকেট শিকার করেন তিনি। প্রতি উইকেট নিতে গড়ে খরচ করেন ২০.৮৬ রান, যা টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে অত্যন্ত কার্যকর একটি পরিসংখ্যান। তার সেরা বোলিং ফিগার ছিল ২৬ রানে ৩ উইকেট।
যদিও রিশাদের দুর্দান্ত পারফরম্যান্স সত্ত্বেও শিরোপা জিততে পারেনি হোবার্ট হারিকেনস। লিগ পর্বে ১০ ম্যাচে ১৩ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের তৃতীয় স্থানে থেকে নকআউটে জায়গা করে নেয় দলটি। নকআউট পর্বে মেলবোর্ন স্টারস-কে ৩ রানে হারিয়ে চ্যালেঞ্জার ম্যাচে ওঠে তারা। তবে ফাইনালে যাওয়ার লড়াইয়ে সিডনি সিক্সার্স-এর কাছে ৫৭ রানে হেরে বিদায় নিতে হয় রিশাদের দলকে।
তবুও ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সে উজ্জ্বল এই সাফল্য বাংলাদেশের ক্রিকেটের জন্য গর্বের। আন্তর্জাতিক ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে রিশাদের এমন অর্জন ভবিষ্যতে দেশের ক্রিকেটকে আরও এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...