বিজ্ঞাপন
শনিবার (৪ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টায় জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের মনোবল বাড়াতে মাঠপর্যায়ে সরজমিনে এই কার্যক্রম পরিদর্শন করেন গোপালগঞ্জ স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ও পৌর প্রশাসক এবং অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এস এম তারেক সুলতান। প্রখর রোদ ও তীব্র গরম উপেক্ষা করে তিনি নিজেই পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের সাথে সরাসরি কাজে অংশ নেন।
শহরের মধুমতি খাল পরিষ্কার কার্যক্রম পরিদর্শনকালে এস এম তারেক সুলতান গণমাধ্যমকে জানান, খালের আবর্জনা পরিষ্কার শেষ হওয়ার পরপরই শহরের অভ্যন্তরীণ ড্রেনগুলো পরিষ্কারের উদ্যোগ নেওয়া হবে। আসন্ন বর্ষা মৌসুমে শহরে যেন কোনো ধরনের জলাবদ্ধতার সৃষ্টি না হয়, সে লক্ষ্যে তিনি পৌরসভার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিভিন্ন দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
পৌর প্রশাসক আরও বলেন, "সরকারি ও প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগের পাশাপাশি সাধারণ মানুষকেও সচেতন হতে হবে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবাইকে নিজ নিজ বাড়ির আঙিনা, অফিস-আদালত ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।"
পরিদর্শনকালে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফারদিন খান প্রিন্স, এ কে এম ফয়জুল বারী ও মুহাম্মদ মামুনুর রশিদ। এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা এ এইচ এম রকিবুল ইসলাম, পৌর প্রশাসকের ব্যক্তিগত সহকারী মাহফুজুর রহমান লাবলু, কনজারভেন্সী পরিদর্শক এমরান আলী মোল্লা এবং বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক রেফাউল ইসলাম মোল্যাসহ জেলার বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।
পৌরসভার এই নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও মশক নিধন কার্যক্রমের ফলে আসন্ন বর্ষায় মশার উপদ্রব ও রোগবালাই অনেকাংশে হ্রাস পাবে বলে আশা করছেন শহরবাসী।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...