বিজ্ঞাপন
বুধবার (৮ এপ্রিল) সংসদের প্রথম অধিবেশনের বিকালের সেশনে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) আইন, ২০২৬’ উত্থাপনের পর আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, “বিসিবি এখন আর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড নাই, এটা এখন ‘বাপের দোয়া ক্রিকেট বোর্ডে’ পরিণত হয়ে গেছে।” তার এই মন্তব্য সংসদে ব্যাপক আলোচনা তৈরি করে।
তিনি আরও বলেন, প্রস্তাবিত আইনটির বাস্তবায়নে নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিলটি জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের অধীনে রাখা হলেও সেটিকে যদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়, তাহলে নিরপেক্ষ তদন্ত নিয়ে প্রশ্ন থেকে যেতে পারে।
তার ভাষায়, “জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে অবশ্যই স্বায়ত্তশাসিত করতে হবে। না হলে এটি কার্যকরভাবে কাজ করতে পারবে না।” এমপি হাসনাত আবদুল্লাহ আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে মানবাধিকার কমিশনকেও দলীয়করণ করা হতে পারে। “আমাদের আশঙ্কা রয়েছে, এটি যেন ‘বাপের দোয়া মানবাধিকার কমিশন’ বা বিরোধীদল দমন কমিশনে পরিণত না হয়,” বলেন তিনি।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, বিলটি পাসের আগে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের কাঠামোগত বিষয়গুলো চূড়ান্ত করা জরুরি। অন্যথায় বিসিবি, বাংলাদেশ ব্যাংক কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মতো এখানেও দলীয় প্রভাব বিস্তারের ঝুঁকি রয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। সংসদ সদস্য বলেন, “আমরা ইতোমধ্যে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে দলীয়করণের উদাহরণ দেখেছি। তাই ভবিষ্যতে একই চিত্র যেন পুনরাবৃত্তি না হয়, সে বিষয়ে এখনই সতর্ক হতে হবে।”
তার এই বক্তব্য সংসদে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বাধীনতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা বর্তমান প্রেক্ষাপটে একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হয়ে উঠেছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...