Logo Logo

হজযাত্রীদের জন্য ‘হজ ভিসা’ বাধ্যতামূলক করল সৌদি আরব


Splash Image

পবিত্র হজ পালনের জন্য নির্দিষ্ট ‘হজ ভিসা’ ব্যতীত অন্য কোনো ভিসাকে বৈধ বলে গণ্য করা হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়। রোববার এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে মন্ত্রণালয় স্পষ্ট করেছে যে, হজের আনুষ্ঠানিকতায় অংশগ্রহণের জন্য সরকারিভাবে অনুমোদিত একমাত্র মাধ্যম হলো হজ ভিসা।


বিজ্ঞাপন


বিবৃতি অনুযায়ী, ভিজিট, ট্রানজিট, ওমরাহ কিংবা টুরিস্ট ভিসা নিয়ে সৌদি আরবে অবস্থানকারীরা হজের কোনো কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবেন না। সৌদিতে বসবাসরত নাগরিক ও প্রবাসীদের ক্ষেত্রে নিয়ম কিছুটা শিথিল হলেও তাদের ‘নুসুক’ অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে অবশ্যই প্রয়োজনীয় পারমিট সংগ্রহ করতে হবে।

সৌদি কর্তৃপক্ষ জোর দিয়ে জানিয়েছে, সব ধরনের বুকিং বা রিজার্ভেশন শুধুমাত্র অনুমোদিত মাধ্যমগুলোর মাধ্যমেই সম্পন্ন করতে হবে। প্রতি বছর একদল অসাধু চক্র সাধারণ মানুষকে অবৈধভাবে হজে পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে বিভ্রান্ত করে। এই অসাধু তৎপরতা দমন করতেই এবার আগাম ও কঠোর সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

এদিকে, বাংলাদেশ থেকে চলতি বছরের প্রথম হজ ফ্লাইটের সময়সূচি চূড়ান্ত করা হয়েছে। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আগামী ১৮ এপ্রিল রাত ২টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সৌদি আরবের উদ্দেশে প্রথম ফ্লাইটটি যাত্রা করবে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবারের হজ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। হজযাত্রীদের যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে ইতোমধ্যে বিমানবন্দর ও হজ ক্যাম্প পরিদর্শন করেছেন বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান।

সৌদি আরবের নতুন এই নির্দেশনা অনুযায়ী, বিদেশি হজযাত্রীদের হজের নির্ধারিত বিশেষ ভিসা থাকা বাধ্যতামূলক। নিয়মের ব্যত্যয় ঘটলে আইনি জটিলতার পাশাপাশি হজের আনুষ্ঠানিকতা থেকে বঞ্চিত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে হজযাত্রীদের নিরাপত্তা ও প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে বিশেষ সেল গঠন করা হয়েছে এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সসহ সংশ্লিষ্টরা সময়মতো ফ্লাইট পরিচালনার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

সূত্র: সৌদি গেজেট।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

আরো দেখুন


বিজ্ঞাপন

পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...