বিজ্ঞাপন
রফিকুল ইসলামের পাঁচ সন্তানের মধ্যে তিনজন ঢাকায় এবং দুইজন চীনে কর্মরত। তারা নিজ উদ্যোগে এলাকায় মসজিদ, মাদ্রাসা ও কবরস্থান নির্মাণসহ বিভিন্ন দাতব্য কাজে আর্থিক সহযোগিতা করে আসায় এলাকায় তাদের বিশেষ সুখ্যাতি রয়েছে। তবে সম্প্রতি এই পরিবারের সম্মানহানির উদ্দেশ্যে একটি মহল দাবি করে যে, রফিকুল ইসলাম তার পূর্বপুরুষদের ওয়াকফকৃত ৪ শতাংশ জমির কবরস্থান দখল করে বাড়ি নির্মাণ করেছেন।
সরেজমিন অনুসন্ধানে দেখা যায়, মাগুরা মৌজার এসএ ২৯১ খতিয়ানের ৮৮৬৮ দাগের মোট ১৯ শতাংশ জমির মধ্যে ৪ শতাংশ ছিল পারিবারিক কবরস্থানের জন্য নির্ধারিত। কবরস্থানটির পূর্ব ও উত্তর দিকে গ্রামীণ পাকা রাস্তা হওয়ার কারণে সরকারি মাপজোখ অনুযায়ী প্রায় ০.৪৮ শতাংশ জমি রাস্তার পেটে চলে গেছে। বর্তমানে সেখানে ৩.৫২ শতাংশ জমি অবশিষ্ট রয়েছে, যা রফিকুল ইসলাম নিজ অর্থায়নে প্রাচীর দিয়ে সুরক্ষিত করেছেন। পাশাপাশি তার সন্তানেরা সেখানে একটি নতুন মসজিদ ও কবরস্থান সম্প্রসারণের কাজও করেছেন।
এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জাকির হোসেন, আবুল হোসেন ও লেবু মিয়া জানান, কবরস্থানের জমি রাস্তা নির্মাণের কারণে সামান্য কমেছে, এর সাথে মন্ডলবাড়ির কোনো সম্পর্ক নেই। এর আগে কিশোরগঞ্জের সহকারী কমিশনার (ভূমি) বদর আমিন এবং স্থানীয় সার্ভেয়ার সরেজমিনে তদন্ত করে নকশা প্রণয়ন করেছিলেন, যেখানে স্পষ্ট হয়েছে রফিকুল ইসলাম তার নিজস্ব জমিতেই বসবাস করছেন। এমনকি বাড়ি তৈরির সময় তারা উল্টো কবরস্থানের জন্য কিছু জায়গা ছেড়ে দিয়েছেন।
মন্ডলবাড়ির প্রধান রফিকুল ইসলাম জানান, তারা পৈতৃক কবলা অনুযায়ী প্রাপ্ত জমিতেই বসবাস করছেন এবং সরকারি জরিপেও তা প্রমাণিত। তিনি অভিযোগ করেন, তার সন্তানদের ভালো কাজে ঈর্ষান্বিত হয়ে এলাকার কিছু ভূমিদস্যু ও মামলার আসামি এই মিথ্যা প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছে। যারা অন্যায়ভাবে তার জমি দখল করেছে, তাদের বিরুদ্ধে তিনি আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন।
এ বিষয়ে প্রোপাগান্ডা ছড়ানোর অভিযোগে অভিযুক্ত স্বাধীন হাসানের (২৬) সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় ইউপি সদস্য আহাদ আলী জানান, জমি মাপজোখের দিন তাকে ডাকা হলেও ব্যস্ততার কারণে তিনি উপস্থিত থাকতে পারেননি, তাই প্রকৃত জমি কতটুকু তা তিনি নিশ্চিত নন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...