বিজ্ঞাপন
‘অ্যাবাউট ফেস’ (About Face) নামের একটি সংগঠনের ব্যানারে আয়োজিত এই বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয় ক্যানন হাউস অফিস বিল্ডিংয়ের সামনে। বিক্ষোভকারীদের প্রধান দাবি ছিল—মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুদ্ধমুখী নীতির বিরুদ্ধে কংগ্রেসকে আরও কার্যকর ও দায়িত্বশীল ভূমিকা নিতে হবে। তাদের মতে, যুদ্ধ প্রতিরোধের সাংবিধানিক ক্ষমতা মূলত কংগ্রেসের হাতেই রয়েছে।
বিক্ষোভে অংশ নেওয়া সাবেক সেনারা বর্তমান প্রশাসনের পররাষ্ট্রনীতির কঠোর সমালোচনা করেন। তারা বলেন, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সাধারণ নাগরিকদের এখনই যুদ্ধবিরোধী অবস্থান নিতে হচ্ছে এবং সংবিধান অনুযায়ী দায়িত্ব পালনের জন্য কংগ্রেসকে চাপ দিতে হচ্ছে।
অনেক আন্দোলনকারী ইরাক যুদ্ধের প্রেক্ষাপটের সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতির মিল খুঁজে পান। তাদের অভিযোগ, মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক হস্তক্ষেপকে বৈধতা দিতে যে ধরনের যুক্তি ও প্রতিশ্রুতি অতীতে ব্যবহার করা হয়েছিল, বর্তমানে আবারও একই ধরনের অজুহাত সামনে আনা হচ্ছে।
বিক্ষোভ চলাকালে পরিস্থিতি এক পর্যায়ে উত্তপ্ত হয়ে উঠলে পুলিশ অংশগ্রহণকারীদের স্থান ত্যাগের নির্দেশ দেয়। তবে বিক্ষোভকারীরা অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে গেলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলপ্রয়োগ করে এবং অন্তত ৬০ জনকে আটক করে।
ঘটনার পর কংগ্রেস ভবন এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে বলে জানা গেছে। বিক্ষোভে কেবল সাবেক সেনাসদস্যরাই নয়, অংশ নেন বর্তমানে কর্মরত সেনাদের পরিবারের সদস্যরাও। তারা বলেন, সম্ভাব্য এই যুদ্ধ অপ্রয়োজনীয় ও অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ, যা দ্রুত রাজনৈতিকভাবে সমাধান না হলে বড় ধরনের মানবিক বিপর্যয়ের আশঙ্কা রয়েছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...