বিজ্ঞাপন
শনিবার ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত বছরের জুনে ওমানে যখন মার্কিন প্রতিনিধি স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনারের সঙ্গে ইরানি প্রতিনিধি দলের আলোচনা চলছিল, ঠিক সেই মুহূর্তেই ইরানে সামরিক হামলা শুরু করেছিল যুক্তরাষ্ট্র। আলোচনার মাঝপথে এমন অতর্কিত হামলার কারণে ওয়াশিংটনের ওপর চরম অনাস্থা তৈরি হয়েছে তেহরানের।
উল্লেখ্য, ১২ দিনব্যাপী সেই যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ‘বাঙ্কার-বাস্টার’ বোমা ও বি-২ বোমারু বিমান ব্যবহার করে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে ব্যাপক হামলা চালায়। এরপর থেকেই ওয়াশিংটন দাবি করে আসছে যে, ইরান পুনরায় পারমাণবিক কর্মসূচি ও ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির প্রচেষ্টা চালাচ্ছে।
যদিও চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে মাস্কটে পুনরায় কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছিল, কিন্তু ডোনাল্ড ট্রাম্প আলোচনার অগ্রগতিতে অসন্তোষ প্রকাশ করার পরপরই আবারও হামলার ঘটনা ঘটে।
বর্তমানে সেই একই মার্কিন প্রতিনিধি দল আলোচনার উদ্দেশ্যে পাকিস্তানের পথে রওনা হলেও ইরানের কর্মকর্তারা সরাসরি আলোচনায় বসতে নারাজ। তারা স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের ওপর তাদের কোনো বিশ্বাস নেই। আলোচনার পাশাপাশি ইরান বর্তমানে তাদের সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর বিশেষ জোর দিচ্ছে।
ইরানের কট্টরপন্থী নেতাদের মতে, দেশটির পারমাণবিক কর্মসূচি কোনোভাবেই আলোচনার বিষয় হতে পারে না।
অন্যদিকে, ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবি, পারমাণবিক সমৃদ্ধকরণের কারণেই ইরানে সামরিক অভিযান চালানো হয়েছিল। সব মিলিয়ে ইসলামাবাদে স্থগিত হওয়া এই আলোচনা পুনরায় শুরুর আভাস পাওয়া গেলেও, এর ভবিষ্যৎ ও গন্তব্য নিয়ে বিশ্ব রাজনীতিতে ধোঁয়াশা রয়েই গেছে।
সূত্র: বিবিসি।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...