বিজ্ঞাপন
তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ফুয়াদ ইজাদি এই সফর প্রসঙ্গে বলেন, ইরান ও রাশিয়ার সামরিক সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর ও বিস্তৃত। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পুতিনসহ রাশিয়ার শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা বিষয়ে আলোচনা করবেন।
ইজাদি আরও উল্লেখ করেন, ইরানের বর্তমান আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা প্রত্যাশিত পর্যায়ে নেই। ফলে তেহরান আশা করছে, এই সংকটকালীন মুহূর্তে প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়াতে রাশিয়া কার্যকর প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদান করবে।
সামরিক সহযোগিতার পাশাপাশি রাজনৈতিক সমর্থনের বিষয়েও গুরুত্ব দিচ্ছে তেহরান। সম্প্রতি জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে ইরান-বিরোধী একটি প্রস্তাবে রাশিয়ার ভেটো প্রদানের প্রসঙ্গ টেনে অধ্যাপক ইজাদি বলেন, ইরান নিশ্চিত হতে চায় যে নিরাপত্তা পরিষদের মতো আন্তর্জাতিক ফোরামগুলোতে রাশিয়া রাজনৈতিকভাবে তাদের পাশেই থাকবে। ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর থেকেই ইরান সামরিক প্রযুক্তির প্রয়োজনে রাশিয়ার ওপর আস্থা রেখে আসছে।
এদিকে, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীল পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে এই বৈঠকের গুরুত্ব অপরিসীম বলে মন্তব্য করেছেন ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ। তিনি জানান, প্রেসিডেন্ট পুতিন মনে করেন বর্তমান বাস্তবতায় এই আলোচনার গুরুত্ব কোনোভাবেই অবমূল্যায়ন করার সুযোগ নেই।
উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার যুদ্ধাবস্থা নিরসনে কূটনৈতিক প্রচেষ্টাগুলো বর্তমানে স্থবির হয়ে পড়েছে। গত শনিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং জ্যারেড কুশনারের ইসলামাবাদ সফর বাতিল করায় পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় শান্তি আলোচনার সম্ভাবনাও ক্ষীণ হয়ে এসেছে। এমন পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক মিত্র হিসেবে মস্কোর জোরালো সমর্থন পেতেই সোমবার ভোরে রাশিয়ায় পৌঁছান আব্বাস আরাঘচি।
সূত্র: আল জাজিরা।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...