বিজ্ঞাপন
শুক্রবার (১৫ মে) বিকেল ৪টার দিকে নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।
মৃত হাজতির নাম মো. হুমায়ুন কবির ওরফে মাঈনউদ্দিন (৩৫)। তিনি জেলার সোনাইমুড়ী উপজেলার বজরা ইউনিয়নের বগাদিয়া গ্রামের মৃত সোলেমান মিয়ার ছেলে। চুরির একটি মামলায় তিনি নোয়াখালী জেলা কারাগারে আটক ছিলেন।
এর আগে, গত ১৯ এপ্রিল একটি চুরির মামলায় চাটখিল থানা পুলিশ হুমায়ুন কবিরকে গ্রেপ্তার করে। পরবর্তীতে আদালতের নির্দেশে তাকে নোয়াখালী জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। কারাগারে নেওয়ার সময়ই তার শরীরে আঘাতের কিছু চিহ্ন দেখতে পেয়েছিলেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
কারাগার সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার জুমার নামাজের আগে হুমায়ুন কবির হঠাৎ বুকে ব্যথা ও শারীরিক অসুস্থতা অনুভব করেন। তাৎক্ষণিকভাবে কারা মেডিক্যালে তার প্রাথমিক পরীক্ষা ও ইসিজি করা হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে তাকে দ্রুত নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকেল ৪টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরবর্তীতে আইনি প্রক্রিয়া শেষে একই দিন সন্ধ্যা ৭টার দিকে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
হাজতির মৃত্যুর এই ঘটনায় চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ তুলেছেন তার স্বজনেরা। মৃতের মামার দাবি, কারাগারে অসুস্থ হওয়ার পর তাকে যথাসময়ে উন্নত চিকিৎসা দেওয়া হয়নি। মূলত কর্তৃপক্ষের অবহেলার কারণেই তার ভাগ্নের মৃত্যু হয়েছে।
অবশ্য চিকিৎসার অবহেলার এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন নোয়াখালী জেলা কারাগারের জেল সুপার আবদুল বারেক। তিনি জানান, ওই হাজতি কারাগারে আসার আগেই বাইরে ‘পাবলিক এসল্ট’ বা গণপিটুনির শিকার হয়েছিলেন। কারাগারে অসুস্থ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই কারা মেডিক্যালে তার প্রয়োজনীয় চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। ইসিজি রিপোর্টে শারীরিক অবস্থা গুরুতর দেখা দেওয়ায় কোনো বিলম্ব না করে তাকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছিল এবং হাসপাতালেই তার মৃত্যু হয়।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...