ছবি: ভিডিও থেকে নেয়া।
বিজ্ঞাপন
শনিবার (১৬ মে) দুপুরে তিনি সুগন্ধা নদী ও গাবখান চ্যানেল সংলগ্ন নলছিটি উপজেলার বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ ও ভাঙনকবলিত এলাকা ঘুরে দেখেন।
পরিদর্শনকালে সংসদ সদস্য নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন স্থান অবলোকন করার পাশাপাশি পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) চলমান ব্লক নির্মাণ কাজের গুণগত মানও নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেন। এ সময় তিনি স্থানীয় ভুক্তভোগী বাসিন্দাদের সাথে সরাসরি কথা বলেন এবং ভাঙনের বর্তমান পরিস্থিতি, বসতভিটা ও ফসলি জমি হারানোর শঙ্কা ও তাঁদের নানা দুর্ভোগের বিষয়ে বিস্তারিত খোঁজখবর নেন।
এ সময় স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভ ও আক্ষেপ প্রকাশ করে দীর্ঘদিন ধরে একটি স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণ এবং কার্যকর নদীশাসনের দাবি জানান। তাঁরা বলেন, প্রতি বছর নদীভাঙনের ফলে ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট ও কৃষিজমির ব্যাপক ক্ষতিসাধন হচ্ছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে কোনো টেকসই ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে এলাকার আরও বিস্তীর্ণ জনপদ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়ার চরম আশঙ্কা রয়েছে।
নদীভাঙন কবলিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে সংসদ সদস্য জীবা আমিনা খান বলেন, নদীভাঙন এই অঞ্চলের মানুষের জন্য একটি দীর্ঘদিনের স্থায়ী দুর্ভোগ। ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কষ্ট নিজের চোখে দেখতেই আমি আজ এখানে ছুটে এসেছি। ভাঙন রোধে কার্যকর ও টেকসই ব্যবস্থা গ্রহণে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। জনগণের স্বার্থে চলমান সব ধরনের উন্নয়ন কাজের গুণগত মান নিশ্চিত করতে হবে, এখানে কোনো আপস করা হবে না।
তিনি আরও আশ্বস্ত করে বলেন, বর্তমান সরকার নদীভাঙন রোধে অত্যন্ত আন্তরিক। মানুষের জানমাল ও শেষ সম্বলটুকু রক্ষায় দ্রুত প্রয়োজনীয় ও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে জরুরি ভিত্তিতে আলোচনা করা হবে।
পরিদর্শনকালে সংসদ সদস্যের সাথে আরও উপস্থিত ছিলেন ঝালকাঠি জেলা পরিষদ প্রশাসক অ্যাডভোকেট শাহাদাত হোসেন, বিশিষ্ট বিএনপি নেতা কর্নেল মোস্তাফিজুর রহমান, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সহ-সভাপতি রফিকুল হাওলাদার এবং পৌর বিএনপির সম্পাদক আনিসুর রহমান তাপু। এছাড়া পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো), এলজিইডি ও জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন পদস্থ কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...