বিজ্ঞাপন
রোববার (১৭ মে) রাতে ঝালকাঠি জেলা পুলিশ লাইন্সে আনুষ্ঠানিকভাবে এই ফলাফল ঘোষণা করা হয়। ঝালকাঠির পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে এই চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করেন।
জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এবারের নিয়োগ পরীক্ষায় ঝালকাঠি জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে মোট ৭২০ জন চাকরিপ্রার্থী অংশগ্রহণ করেন। শারীরিক সক্ষমতা যাচাই (পিইটি), লিখিত পরীক্ষা এবং সর্বশেষ মৌখিক পরীক্ষাসহ কয়েকটি কঠোর ধাপ পেরিয়ে ৫২ জন প্রার্থী চূড়ান্তভাবে মেধা তালিকায় স্থান পাওয়ার লড়াইয়ে অংশ নেন।
পরবর্তীতে প্রার্থীদের মেধা, যোগ্যতা ও শারীরিক সক্ষমতার সর্বোচ্চ মূল্যায়ন করে মোট ১৩ জন প্রার্থীকে কনস্টেবল পদের জন্য চূড়ান্তভাবে মনোনীত করা হয়। অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হওয়া এই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় নির্বাচিতদের মধ্যে পুরুষ প্রার্থীর পাশাপাশি নারী প্রার্থীরাও রয়েছেন।
ফলাফল ঘোষণা অনুষ্ঠানে ঝালকাঠির পুলিশ সুপার ছাড়াও জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং স্থানীয় গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বরা উপস্থিত ছিলেন। এদের মধ্যে অন্যতম হলেন সহকারী পুলিশ সুপার মো. জিয়াউর রহমান, ঝালকাঠি প্রেসক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. আক্কাস সিকদার, সাবেক সাধারণ সম্পাদক দুলাল সাহা ও মানিক রায় এবং প্রেসক্লাবের কোষাধ্যক্ষ মো. রাজু খান।
পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান তাঁর বক্তব্যে নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা তুলে ধরে বলেন, “সম্পূর্ণ মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতেই যোগ্য প্রার্থীদের বাছাই করে এই চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। গোটা নিয়োগ প্রক্রিয়ায় শতভাগ স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করা হয়েছে। কোনো ধরনের অনিয়ম, আর্থিক লেনদেন কিংবা তদবিরের বিন্দুমাত্র সুযোগ এখানে ছিল না।”
ফলাফল প্রকাশের পরপরই পুলিশ লাইন্স চত্বরে নির্বাচিত প্রার্থী ও তাদের সঙ্গে আসা পরিবারের সদস্যদের মধ্যে এক আবেগঘন ও আনন্দময় পরিবেশের সৃষ্টি হয়। যোগ্যতার জোরে সরকারি চাকরি পেয়ে অনেকেই আনন্দে আত্মহারা হয়ে পড়েন এবং একে অপরকে মিষ্টি খাইয়ে শুভেচ্ছা জানান।
জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত এই প্রার্থীদের প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও অন্যান্য কাগজপত্র যাচাই-বাছাই (পুলিশ ভেরিফিকেশন) শেষে দ্রুতই পুলিশ প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে পাঠানো হবে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...