বিজ্ঞাপন
রোববার (১৭ মে) স্থানীয় কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের সেমিনার কক্ষে এই দিনব্যাপী কর্মশালার আয়োজন করা হয়। বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘ব্র্যাক সিড অ্যান্ড অ্যাগ্রো এন্টারপ্রাইজ’ এই তথ্যসমৃদ্ধ ও কারিগরি প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য প্রদান করেন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের গোপালগঞ্জ কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা কৃষিবিদ ড. মো. শহিদুল ইসলাম। কর্মশালায় প্রধান প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত থেকে মৌচাষের বৈজ্ঞানিক ও আধুনিক কৌশলসমূহ বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন ব্র্যাক সিড অ্যান্ড অ্যাগ্রো এন্টারপ্রাইজের সিনিয়র ম্যানেজার কৃষিবিদ ড. নিবিড় কুমার সাহা। সমগ্র প্রশিক্ষণ কর্মশালাটি অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনা করেন কৃষিবিদ মো. হযরত আলী।
দিনব্যাপী আয়োজিত এই প্রাতিষ্ঠানিক ও ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় গোপালগঞ্জ জেলার ৫টি উপজেলার মোট ৪৫ জন নির্বাচিত মৌচাষী ও সম্ভাবনাময় নতুন উদ্যোক্তা অংশ নেন। মেধা ও আগ্রহের ভিত্তিতে নির্বাচিত এই চাষীদের আধুনিক মৌচাষের নানামুখী টেকসই প্রযুক্তির সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়।
কর্মশালায় উপস্থিত প্রশিক্ষক ও কৃষি বিশেষজ্ঞরা মৌমাছি পালন পদ্ধতি, আধুনিক বাক্স ব্যবস্থাপনা, বৈজ্ঞানিক উপায়ে গুণগত মানসম্পন্ন মধু সংগ্রহ এবং দীর্ঘ মেয়াদে মধু সংরক্ষণ কৌশল সম্পর্কে প্রশিক্ষণার্থীদের বিস্তারিত ধারণা দেন। এর পাশাপাশি মৌচাকে আক্রমণকারী বিভিন্ন ক্ষতিকর রোগবালাই দমন এবং উৎপাদিত মধুর সঠিক বাজারজাতকরণ প্রক্রিয়ার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়।
বিশেষজ্ঞরা বলেন, মৌমাছি শুধু পরিবেশের ভারসাম্য ও ফসলের পরাগায়ন বৃদ্ধি করে না, বরং এটি গ্রামীণ অর্থনীতিতে বড় অবদান রাখতে পারে। বর্তমান বাজারে খাঁটি মধুর ব্যাপক চাহিদা থাকায় আধুনিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে পারলে মৌচাষকে একটি অত্যন্ত লাভজনক পেশা ও স্বাধীন ব্যবসা হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব।
কর্মশালা শেষে অংশগ্রহণকারী চাষীদের মাঝে মৌচাষের আধুনিক নির্দেশিকা ও প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান করা হয়।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...