Logo Logo

‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে বিশৃঙ্খলা, মুকসুদপুরে ছাত্রলীগ নেতা নেওয়াজ গ্রেফতার


Splash Image

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের এক নেতাকে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃত নেওয়াজ আহমেদ (২৮) নিষিদ্ধ এই সংগঠনের রাজনীতির সাথে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন বলে পুলিশ নিশ্চিত করেছে।


বিজ্ঞাপন


রোববার (১৭ মে) মুকসুদপুর উপজেলার সদর বাজার এলাকায় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে উত্তেজনা সৃষ্টির চেষ্টাকালে তাকে হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত নেওয়াজ আহমেদ মুকসুদপুর উপজেলার গোলাবাড়িয়া গ্রামের মুক্তার শেখের ছেলে।

দলীয় ও স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, তিনি ঢাকার দনিয়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ শাখা ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে সরাসরি ও সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন। সরকার কর্তৃক ছাত্রলীগ নিষিদ্ধ ঘোষিত হওয়ার পর থেকেই তিনি এলাকায় আত্মগোপনে ছিলেন বলে জানা গেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার বিকেলে মুকসুদপুর সদর বাজার এলাকায় সরকার কর্তৃক নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী গোপনে সমবেত হন। একপর্যায়ে তারা আকস্মিকভাবে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে বাজারে সাধারণ মানুষের মাঝে আতঙ্ক ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা চালান। বিষয়টি টের পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন।

খবর পাওয়া মাত্রই মুকসুদপুর থানা পুলিশ দ্রুত অভিযানে নামে। থানার একজন সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে সদর বাজারে চিরুনি অভিযান পরিচালনা করেন। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে বাকিরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও ঘটনাস্থল থেকে ছাত্রলীগ নেতা নেওয়াজ আহমেদকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।

মুকসুদপুর থানা পুলিশ জানায়, গ্রেফতারের পর নেওয়াজকে কড়া নিরাপত্তায় থানা হেফাজতে নিয়ে আসা হয়। পরবর্তীতে সেখানে রেখে মামলার আইনি প্রক্রিয়ার স্বার্থে তাকে সারারাত ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির এই অপচেষ্টায় আর কারা জড়িত ছিল, সে বিষয়ে তার কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা চালায় পুলিশ।

আজ সোমবার (১৮ মে) দুপুর ১টার দিকে কঠোর নিরাপত্তা বেষ্টনীর মধ্য দিয়ে গ্রেফতারকৃত আসামি নেওয়াজ আহমেদকে গোপালগঞ্জ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হয়। আদালতে আসামির পক্ষে জামিনের আবেদন করা হলে বিজ্ঞ আদালত রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তি ও অপরাধের গুরুত্ব বিবেচনা করে জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন এবং আসামিকে জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন। এই ঘটনায় জড়িত অন্যান্য আসামিদের ধরতেও পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

আরো দেখুন


বিজ্ঞাপন

পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...