বিজ্ঞাপন
সোমবার (১৮ মে) দুপুরে নোয়াখালী-ফেনী আঞ্চলিক মহাসড়কের চৌমুহনী পূর্ব বাজার এলাকায় এই আশঙ্কাজনক দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহত মাওলানা বেলাল হোসাইন সেনবাগ উপজেলার ফতেহপুর গ্রামের বরকান্দাজ বাড়ির মৃত মুগবুল আহমেদের ছেলে। তিনি ফতেহপুর ইসলামিয়া মাদরাসার প্রধানশিক্ষক ও মুহতামিম হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুপুরে স্ত্রী তামান্না রহমান (৪৫) এবং চার বছর বয়সী ছোট মেয়ে তালভিয়া রহমানকে নিয়ে চৌমুহনীর হলি কেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসক দেখিয়ে বের হয়েছিলেন মাওলানা বেলাল ফতেহপুরী। হাসপাতাল থেকে বের হয়ে নোয়াখালী-ফেনী মহাসড়ক পার হওয়ার সময় দ্রুতগতির একটি মালবাহী ট্রাক তাদের সজোরে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে প্রাণ হারান মাওলানা বেলাল।
গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁর স্ত্রী তামান্না ও কন্যাসন্তান তালভিয়াকে উদ্ধার করে দ্রুত স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
চন্দ্রগঞ্জ হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আদিল আকবর দুর্ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, "তাঁরা রাস্তা পার হচ্ছিলেন এবং ফুটপাতের পথচারী ছিলেন। ঘটনাস্থলেই একজন নিহত ও দুজন আহত হয়েছেন। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ঘাতক ট্রাকটিকে আটক করেছে। তবে দুর্ঘটনার পরপরই চালক ও হেলপার পালিয়ে গেছে।"
পলাতক চালক ও সহকারীকে আইনের আওতায় আনতে পুলিশ তৎপর রয়েছে এবং এই ঘটনায় একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে হাইওয়ে পুলিশ। একজন শ্রদ্ধাভাজন শিক্ষকের এমন আকস্মিক মৃত্যুতে এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...