বিজ্ঞাপন
সোমবার (১৮ মে) দুপুরে কলেজ ক্যাম্পাসে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এতে স্থানীয় ইউনিয়নবাসী ও ম্যানেজিং কমিটির পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন গাভারামচন্দ্রপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রিয়াছুল আমীন জামাল সিকদার।
লিখিত বক্তব্যে অধ্যক্ষ মো. নুরুল ইসলাম তালুকদারের বিরুদ্ধে একাধিক পৈশাচিক অনিয়ম ও আর্থিক দুর্নীতির খতিয়ান তুলে ধরা হয়। অভিযোগে বলা হয়:
হিসাবে কারচুপি: কলেজের আয়-ব্যয়ের কোনো হিসাব অর্থ কমিটির অনুমোদন ছাড়াই অধ্যক্ষ নিজেই একক সিদ্ধান্তে ভুয়া ভাউচার তৈরি করে পাস করিয়ে নিচ্ছেন।
শিক্ষকদের অর্থ লোপাট: শিক্ষকদের প্রাপ্য টিউশন ফি সঠিকভাবে পরিশোধ না করে সেই অর্থ নিজে আত্মসাৎ করছেন। এছাড়া পরীক্ষা দপ্তরের ফান্ডের টাকা 'অফিস খরচ' দেখিয়ে নয়ছয় করা হয়েছে।
সম্পদ বিক্রি: গভর্নিং বডির কোনো অনুমতি ছাড়াই কলেজের মূল্যবান গাছ কেটে বিক্রি করেছেন। এছাড়া সরকারি সড়ক প্রশস্তকরণের সময় কলেজের সীমানা প্রাচীর ভেঙে গেলে সেখানকার প্রায় ৬ হাজার ইট অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়।
টেন্ডার জালিয়াতি: কলেজের একটি পুরাতন টিনশেড কক্ষ টেন্ডারের মাধ্যমে ৫০ হাজার টাকায় বিক্রি করে সেই অর্থ সরকারি তহবিলে জমা না দিয়ে পকেটে পুরেছেন অধ্যক্ষ।
স্বজনপ্রীতি: বর্তমানে কলেজ ভবন সংস্কারের জন্য বরাদ্দ হওয়া প্রায় ২০ লাখ টাকার একটি কাজ মূল ঠিকাদারের কাছ থেকে জোরপূর্বক ছিনিয়ে নিয়ে অধ্যক্ষ তাঁর আপন ভাগ্নেকে পাইয়ে দিয়েছেন বলে সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা অভিযোগ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, অভিভাবক, রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও সাধারণ এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে নিজের বিরুদ্ধে আনা সকল অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও অসত্য বলে দাবি করেছেন শাহ্ মাহমুদিয়া কলেজের অধ্যক্ষ মো. নুরুল ইসলাম তালুকদার। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, “কলেজ ম্যানেজিং কমিটি গঠন ও আধিপত্য নিয়ে স্থানীয় দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। সেই বিরোধের জের ধরেই একটি পক্ষ আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এসব মিথ্যা অভিযোগ তুলেছে।”
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...