বিজ্ঞাপন
সোমবার (১৮ মে) উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মিনহাজুল ইসলাম এবং সদস্য সচিব ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা পিযুষ কান্তি মজুমদার স্বাক্ষরিত এক পত্রে আনুষ্ঠানিকভাবে এই ফলাফল ঘোষণা করা হয়।
ঘোষিত তালিকা অনুযায়ী নির্বাচিত ৪ ক্যাটাগরির শ্রেষ্ঠ শিক্ষকরা হলেন: শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষিকা: ইসরাত জাহান, প্রধান শিক্ষক, লক্ষ্মীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (জামালগঞ্জ সদর ইউনিয়ন)। শ্রেষ্ঠ কাব শিক্ষক: নিশেন্দু রঞ্জন গোস্বামী, প্রধান শিক্ষক, সাচনা আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (উত্তর ইউনিয়ন)। শ্রেষ্ঠ সহকারী শিক্ষিকা: মোছা. খাতিবুন নেছা, সহকারী শিক্ষক, ধানুয়াখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (উত্তর ইউনিয়ন)।
শ্রেষ্ঠ সহকারী শিক্ষক: জয়ন্ত পাল, সহকারী শিক্ষক, নূরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (সাচনা বাজার ইউনিয়ন)।
শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করার পর নিজেদের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে শিক্ষকরা জানান, এই গৌরবময় অর্জন মাঠপর্যায়ে তাঁদের দায়িত্ব ও কর্তব্যকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। শিক্ষার্থীদের যুগোপযোগী, আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে তাঁরা ভবিষ্যতেও সর্বোচ্চ আন্তরিকতা, নিষ্ঠা ও দক্ষতার সঙ্গে কাজ করে যাবেন। তাঁরা আরও বলেন, "শিক্ষকতা শুধু একটি পেশা নয়; এটি একটি মহান দায়িত্ব ও মানবিক সমাজ গঠনের অন্যতম প্রধান মাধ্যম। এই সম্মাননা আমাদের নতুন উদ্যমে কাজ করতে অনুপ্রাণিত করবে।"
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা পিযুষ কান্তি মজুমদার বলেন, "শিক্ষকদের আন্তরিক প্রচেষ্টা, সৃজনশীল উদ্যোগ, আধুনিক পাঠদান পদ্ধতি ও নিয়মিত কর্মসম্পাদনের ভিত্তিতে উপজেলা শিক্ষা পদক কমিটির মাধ্যমে চুলচেরা যাচাই-বাছাই করে এই চূড়ান্ত পদক প্রদান করা হয়েছে। এই ধরনের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি শুধু পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষকদেরই নয়, উপজেলার অন্যান্য শিক্ষকদের মধ্যেও একটি ইতিবাচক প্রতিযোগিতা ও দায়িত্ববোধ তৈরি করবে।"
স্থানীয় শিক্ষা সংশ্লিষ্ট ও সচেতন মহল মনে করছেন, শিক্ষকদের কাজের প্রতি উৎসাহ বাড়ানোর পাশাপাশি প্রাথমিক শিক্ষার সার্বিক গুণগত মানোন্নয়নে এবং প্রতিটি বিদ্যালয়ে আনন্দঘন পরিবেশে পাঠদান নিশ্চিত করতে এই উদ্যোগ অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...