Logo Logo

চাটখিলে গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার


Splash Image

নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার পরকোট ইউনিয়ন থেকে অহিদা আক্তার শিখা (২১) নামে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।


বিজ্ঞাপন


বুধবার (২০ মে) বেলা ১১টার দিকে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। এর আগে, মঙ্গলবার বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার পূর্ব শোশালিয়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

নিহত অহিদা আক্তার শিখা চাটখিল উপজেলার পূর্ব শোশালিয়া গ্রামের আমজাদ উদ্দিন মুন্সি বাড়ির মোরশেদ আলমের স্ত্রী এবং লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার উত্তর ডল্টা গ্রামের আব্দুল মান্নান মোল্লার মেয়ে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় সাত থেকে আট মাস আগে মোরশেদ আলমের সঙ্গে শিখার বিয়ে হয়। মঙ্গলবার বিকেলে শ্বশুরবাড়ির পরিবারের সদস্যদের অগোচরে বসতঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দেন তিনি। পরে পরিবারের সদস্যরা তাঁকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার করে চাটখিল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের ভাই মাইনউদ্দিন জানান, ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ নিয়ে তাঁরা নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে এসেছেন। এই মুহূর্তে তাঁদের কোনো অভিযোগ নেই। পরবর্তীতে কোনো অভিযোগ থাকলে তা জানানো হবে।

চাটখিল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শাহজাহান জানান, বসতঘরের ফ্যানের সাথে গলায় ফাঁস দিয়ে ওই গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনার পর হাসপাতালে আসা নিহতের স্বামীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে আসা হয়েছিল। তবে ঘটনার সাথে তাঁর প্রত্যক্ষ কোনো সংশ্লিষ্টতা না পাওয়ায় প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

পুলিশ কর্মকর্তা আরও জানান, এই ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা দায়ের করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে আত্মহত্যার সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ জানা যায়নি। তবে ওই গৃহবধূ কিছুটা মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন বলে স্থানীয়ভাবে জানা গেছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে এবং সে অনুযায়ী পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

আরো দেখুন


বিজ্ঞাপন

পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...