বিজ্ঞাপন
আজ বৃহস্পতিবার (২১ মে) ভোরে বেনাপোল-যশোর মহাসড়ক সংলগ্ন তার বাড়ির পাশের একটি বাঁশবাগানে মরদেহটি পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় বাসিন্দারা পুলিশে খবর দেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মশিয়ার রহমানের দুই ছেলের মধ্যে নিহত মিম ছিলেন বড়। তার ২১ দিন বয়সী এক নবজাতকসহ দুটি কন্যাসন্তান রয়েছে। মিম মাঝে কিছুদিন ইজিবাইক চালালেও বর্তমানে তিনি বেকার ছিলেন। তার স্বজনদের দাবি, এলাকায় কারো সাথে মিমের কোনো শত্রুতা ছিল না। তাই কেন, কী কারণে বা কারা এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, সে বিষয়ে তারা কিছুই বুঝে উঠতে পারছেন না।
স্থানীয়দের ধারণা, গভীর রাতের কোনো একসময় মিমকে অন্য কোনো স্থানে মাথায় ধারালো দা দিয়ে কুপিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। পরবর্তীতে অপরাধীরা নিজেদের আড়াল করতে এবং প্রমাণ লোপাটের উদ্দেশ্যে নির্জন বাঁশবাগানে মরদেহটি ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।
খবর পেয়ে ঝিকরগাছা থানা পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে। বেনাপোল-যশোর মহাসড়কের ঝিকরগাছা পৌরসভার সীমানা পিলারের নিচের নয়নঝিলি ও বাঁশবাগান সংলগ্ন এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
ঝিকরগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) গোলাম কিবরিয়া জানান, স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি যশোর জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন এবং জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশ কাজ করছে। এই ঘটনায় একটি মামলা দায়েরসহ পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...