Logo Logo

চাটখিলের আলোচিত শিশু আসমা হত্যা মামলার রায় পিছিয়ে ২৪ জুন


Splash Image

নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার বহুল আলোচিত ও চাঞ্চল্যকর শিশু আসমা আক্তার (৫) হত্যা মামলার রায় ঘোষণার তারিখ পিছিয়েছে। আদালত আগামী ২৪ জুন রায় প্রকাশের নতুন দিন নির্ধারণ করেছেন। দীর্ঘ চার বছরের বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে নিথর শিশুর পরিবার ও স্থানীয় এলাকাবাসী এখন অপরাধীর সর্বোচ্চ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির অপেক্ষায় প্রহর গুনছেন।


বিজ্ঞাপন


রোববার (২৪ মে) নোয়াখালীর বিশেষ শিশু ট্রাইব্যুনালের বিচারক ফারজানা আক্তার রায় ঘোষণার এই নতুন তারিখ ধার্য করেন।

রাষ্ট্র নিযুক্ত আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শুক্লা সাহা বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী এদিন মামলার রায় ঘোষণার কথা ছিল। তবে বিচারক এজলাসে বসে রায়ের তারিখ পুনর্নির্ধারণ করে আগামী ২৪ জুন ঠিক করেন।

নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার শিশু আসমা চাটখিল উপজেলার বদলকোট ইউনিয়নের মেঘা গ্রামের মৃধা বাড়ির মাওলানা মো. শাহজাহানের মেয়ে। এই মামলার একমাত্র আসামি শাহাদাত একই বাড়ির বাবুল হোসেনের ছেলে এবং সম্পর্কে নিহত শিশুর জ্যাঠাতো ভাই।

মামলার বিবরণ ও এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের ২৪ মার্চ দুপুরে নিজ বাড়ি থেকে হঠাৎ নিখোঁজ হয় ৫ বছর বয়সী শিশু আসমা। নিখোঁজের দীর্ঘ নয় দিন পর, পুলিশি তদন্তে গ্রেপ্তার হওয়া জ্যাঠাতো ভাই শাহাদাতের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাদেরই বাড়ির পেছনের একটি সেপটিক ট্যাংকি থেকে আসমার গলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে গ্রেপ্তারকৃত শাহাদাত আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে। জবানবন্দিতে সে স্বীকার করে যে, আসমাকে ধর্ষণের পর ঘটনা ফাঁস হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় সে শিশুটিকে নির্মমভাবে শ্বাসরোধে হত্যা করে এবং প্রমাণ লোপাটের উদ্দেশ্যে মরদেহ সেপটিক ট্যাংকিতে লুকিয়ে রাখে।

উল্লেখ্য, এই লোমহর্ষক ও অমানবিক হত্যাকাণ্ডের পর তৎকালীন সময়ে পুরো নোয়াখালী জেলা জুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড় উঠেছিল। অপরাধীর ফাঁসির দাবিতে বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক সংগঠন ও শিক্ষাট্রতিষ্ঠানের ব্যানারে জেলাজুড়ে গণ-মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল এবং প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। ঘটনার শুরু থেকেই স্থানীয় জনসাধারণ ও সুশীল সমাজ দ্রুত বিচার সম্পন্ন করে খুনি শাহাদাতের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়ে আসছেন।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

আরো দেখুন


বিজ্ঞাপন

পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...